Bengali to English Translation-Page-20

PAGE :- 12 – 3 456 78 9 10 – 1112 131415 -16 – 17 – 18 – 19 – 20 – 21 

Legal discourse

TRANSLATE WITHIN 60 MINUTES

1

বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ। প্রথম — বিদ্যানুরাগ। একদিন মাস্টারের কাছে এই বলতে বলতে সত্য সত্য কেঁদেছিলেন, “আমার তো খুব ইচ্ছা ছিল যে, পড়াশুনা করি, কিন্তু কই তা হল! সংসারে পড়ে কিছুই সময় পেলাম না।” দ্বিতীয় — দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর। বাছুরেরা মায়ের দুধ পায় না দেখিয়া নিজে কয়েক বৎসর ধরিয়া দুধ খাওয়া বন্ধ করিয়াছিলেন, শেষে শরীর অতিশয় অসুস্থ হওয়াতে অনেকদিন পরে আবার ধরিয়াছিলেন। গাড়িতে চড়িতেন না — ঘোড়া নিজের কষ্ট বলিতে পারে না। একদিন দেখলেন, একটি মুটে কলেরা রোগে আক্রান্ত হইয়া রাস্তায় পড়িয়া আছে, কাছে ঝাঁকাটা পড়িয়া অছে। দেখিয়া নিজে কোলে করিয়া তাহাকে বাড়িতে আনিলেন ও সেবা করিতে লাগিলেন। তৃতীয় — স্বাধীনতাপ্রিয়তা। কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে একমত না হওয়াতে, সংস্কৃত কলেজের প্রধান অধ্যক্ষের (প্রিন্সিপালের) কাজ ছাড়িয়া দিলেন। চতুর্থ — লোকাপেক্ষা করিতেন না। একটি শিক্ষককে ভালবাসিতেন; তাঁহার কন্যার বিবাহের সময়ে নিজে আইবুড়ো ভাতের কাপড় বগলে করে এসে উপস্থিত। পঞ্চম — মাতৃভক্তি ও মনের বল। মা বলিয়াছেন, ঈশ্বর তুমি যদি এই বিবাহে (ভ্রাতার বিবাহে) না আস তাহলে আমার ভারী মন খারাপ হবে, তাই কলিকাতা হইতে হাঁটিয়া গেলেন। পথে দামোদর নদী, নৌকা নাই, সাঁতার দিয়া পার হইয়া গেলেন। সেই ভিজা কাপড়ে বিবাহ রাত্রেই বীরসিংহায় মার কাছে গিয়া উপস্থিত! বলিলেন, মা, এসেছি!

Vidyasagar is a man of many facets. One of his great loves is of learning. One day he actually began to weep when he said to M, “How much I wanted to continue my studies! But it was not to be. I was so entangled in worldly affairs, I didn’t have time.’

A second love is for all beings. Vidyasagar is an ocean of compassion. Seeing a calf deprived of its mother’s milk, he could not drink milk for many years – not until his health declined considerably. He does not travel in a carriage, because the horse pulling it cannot speak of its burden. One day he saw a workman lying on the road struck by cholera, his basket lying near. He picked the man up, brought him home, and nursed him.

A third love is independence. Because of a disagreement with his proprietors, Vidyasagar resigned from the post of Principal of the Sanskrit College.

His fourth characteristic is that he does not care for social decorum. He loved a teacher. At the time of his daughter’s marriage, Vidyasagar went to the feast with a gift of cloth under his arm.

A fifth love is devotion to his mother. She had said to him, “Iswar, if you don’t come to the marriage of your brother, I will feel very bad.”  On strength of will, Vidyasagar walked on foot all the way from Calcutta to his village of Beersingh. On the way he had to cross the Damodar river and there was no boat available, so he swam across. He presented himself before his mother, dripping wet, the very night of the marriage.  He said, “Mother, here I am!”


2

চৈতন্য চরিতামৃত  কৃষ্ণদাস কবিরাজ কর্তৃক প্রণীত। এটি কৃষ্ণ চৈতন্যের (১৪৭৮-১৫৩৩) প্রতি নিবেদিত চরিত সাহিত্য ধারার চূড়ান্ত প্রামাণ্য রচনা হিসেবে মর্যাদাময় আসনে অধিষ্ঠিত। গ্রন্থটিকে বৈষ্ণব মতবাদের সংক্ষিপ্ত সার বলা হয় যার মধ্যে আছে চৈতন্য জীবনের অনুপুঙ্খ বর্ণনা, বিশেষ করে তাঁর সন্ন্যাস জীবনের বছরগুলি এবং কিভাবে সে জীবন ভক্তির আদর্শ হিসেবে উদাহরণে পরিণত হলো সে বৃত্তান্ত। গ্রন্থটির মূল পাঠ ষড় গোস্বামীদের দ্বারা বিকশিত অধিবিদ্যা, তত্ত্ববিদ্যা ও নন্দনতত্ত্বের মৌলিক তত্ত্বীয় অবস্থানের রূপরেখা দান করে এবং ভক্তজনোচিত ধর্মীয় কৃত্যের সারবস্ত্ত ব্যক্ত করে। এটি যেহেতু বিশ্বকোষের মতো, সে কারণে এটি ঐতিহ্যের ধারায় সবচেয়ে পুনর্গঠিত পাঠ এবং অন্যসব রচনার মাপকাঠিতে বলা যায় যে, এটি ধর্মতাত্ত্বিক রচনার যথার্থ মান সৃষ্টি করেছে। এটিই সে গ্রন্থ যার মধ্যে চৈতন্য ভক্তরা সুসঙ্গত ও সুশৃঙ্খল রচনা হিসেবে গোম্বামীদের শাস্ত্রীয় গ্রন্থাদি ও চৈতন্য জীবনীর সম্পর্ক প্রথম অনুধাবন করতে পারল। এটিও তারা বুঝল, কৃষ্ণদাস ছিলেন মুষ্টিমেয় ভক্তদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ যিনি এগুলি ভালোভাবে অধ্যয়ন করেছেন।

বৃন্দাবনে লেখা শুরু করে কৃষ্ণদাস তাঁর জীবনের উপান্তে এ সুবৃহৎ গ্রন্থ সমাপ্ত করেন, যদিও সম্যকভাবে তখনও যেমন এখনও তেমনি এটি বিদ্বুৎ সমাজে বরাবর আলোচিত। গ্রন্থোদ্ধৃতিগুলি জানিয়ে দেয় যে, বইটির রচনাকাল ১৫৯২ খ্রিস্টাব্দের পরে। কিন্তু প্রচিলত মত অনুযায়ী এর রচনাকাল আরও পরে ১৬০৯ থেকে ১৬১৫-খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। এ তারিখগুলির যে-কোন একটি গ্রন্থটির রচনাকাল মুরারি গুপ্তের সংস্কৃত রচনা কৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত অর্থাৎ মুরারি গুপ্তের কড়চা (আনুমানিক ১৫৩৩) এবং বৃন্দাবন দাসের বাংলা রচনা চৈতন্য ভাগবত (আনুমানিক ১৫৪০-এর মাঝামাঝি) দিয়ে সূচিত চৈতন্য চরিতাখ্যানগুলির সৃষ্টিশীল রচনা পর্বের অন্তিম পর্যায়ে স্থাপন করে। যদিও আকৃতিতে বিশাল, গ্রন্থটি তখনও জীবিত গোস্বামীদের ও কৃষ্ণদাসের তিনজন প্রশিক্ষিত শিষ্য শ্রীনিবাস, নরোত্তম দাস ও শ্যামানন্দ দ্বারা সতেরো শতকের প্রথম দিকে বাংলা ও উড়িষ্যায় বারবার অনুলিপিকৃত ও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছিল।

শুধু বইটির আয়তনই নিঃসন্দেহে এর প্রভাব সৃষ্টিতে অবদান রেখেছে, কারণ এর সাম্প্রতিক সম্পূর্ণ সংস্করণে রয়েছে অসংখ্য ত্রিপদী চরণসহ প্রধানত দ্বিপদী পয়ার মিল বিশিষ্ট আনুমানিক ২৪,০০০ (চবিবশ হাজার) বাংলা চরণ। অধিকন্তু, গ্রন্থটিতে রয়েছে ইতিহাস ও পুরাণ, বিশেষত ভাগবত ও গীতা ইত্যাদি পঁচাত্তরটি সংস্কৃত উৎস থেকে গৃহীত এক হাজারেরও অধিক সংস্কৃত দ্বিপদী শ্লোক এবং ধর্মীয় কৃত্যের বহুসংখ্যক নির্দেশনামা (তন্ত্র), কাব্য, নন্দনতত্ত্ব (রসশাস্ত্র ও নাটক) এবং বেশ কিছু অধিবিদ্যক, ভাষ্যমূলক ও স্তুতিমূলক রচনা (তত্ত্ব, ভাষ্য, স্তোস্ত্র) ইত্যাদি। আকৃতিক দিক থেকে কিঞ্চিদধিক বড় চৈতন্য ভাগবতের তুলনায় এটি দ্বিতীয় বৃহৎ রচনা এবং এর গঠনরীতি চৈতন্য ভাগবতের অনুরূপ।

চৈতন্য ভাগবত-এর মতো চৈতন্য চরিতামৃতও তিনটি খন্ডে বিভক্ত আদি, মধ্য ও অন্ত্য; এবং এগুলির সর্গসংখ্যা যথাক্রমে ১৭, ২৫ ও ২০। কৃষ্ণদাস সুস্পষ্টভাবে চৈতন্য ভাগবত ও তাঁর নিজের রচনার মধ্যে অসংখ্যবার তুলনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, অবিকল গঠন রূপ একান্তই ইচ্ছাকৃত। রচনারীতির এ কৌশল পরিশেষে পাঠকদের মনে এ ধারণা দেয় যে, প্রায় সাত অথবা আট দশক আগে চৈতন্য ভাগবত যে কাহিনী শুরু করেছিল চৈতন্য চরিতামৃত কেবল তারই ধারাবাহিকতা। চৈতন্য ভাগবতের কাহিনী যেখানে নবদ্বীপে গৃহী চৈতন্যের জীবনকাহিনী নিয়ে কেন্দ্রীভূত থেকেছে, সেখানে চৈতন্য চরিতামৃত পুরীতে সন্ন্যাস গ্রহণের পরে চৈতন্যের জীবন ও তাঁর তীর্থ ভ্রমণের উপর আলোক সম্পাত করেছে। এসব তুলনাবাচক বিবরণের ফল চৈতন্য চরিতামৃতকে চৈতন্য জীবনী রচনার পরিসমাপ্তি রূপে স্পষ্টভাবে স্বীকৃতি দেয়।

অ-বিরোধ ও সৌহার্দ্যের কৌশল অনুসরণ করে কৃষ্ণদাস কবিরাজ প্রত্যেকটি চলমান আধ্যত্মিক তত্ত্বকে শ্রেয়োতর রূপের অগ্রগতিশীল ও ব্যাপক ক্রমাধিকারে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছেন (১.১-৪, ২.২০-২১)। যেমন, অংশ বা আংশিক অবতার, কলিযুগের যুগাবতার এবং অন্যসব দৈবী রূপ যথা মন্বন্তর, দশাবতার, ব্যূহ এবং এ রকম আরও। এরূপ নির্বিশেষত্ব সম্ভব ছিল, কারণ চৈতন্য ভাগবতের অনুসরণে কৃষ্ণদাস চৈতন্যকে কেবল ঈশ্বরের সাধারণ এক অবতার হিসেবে নয়, বরং স্বয়ং ভগবান অর্থাৎ পূর্ণ ঈশ্বর রূপে ঘোষণা করেছিলেন। এর অর্থ হলো, চৈতন্য হলেন সে অবতর যা পূর্ববর্তী সব অবতারকে যোগ রূঢ় করে। ভক্তির এ বিস্তৃত রূপ ব্যাখ্যাকে ফলপ্রসূ করতে যে কলাকৌশল ছিল তা হলো চৈতন্যকে পরিবৃত বৈষ্ণব সম্প্রদায় কর্তৃক চৈতন্যকে ভক্তদের প্রতিনিধিত্বকারী চৈতন্য, অদ্বৈত আচার্য, নিত্যানন্দ, গদাধর ও শ্রীবাসকে পক্ষতত্ত্ব রূপে জ্ঞান করা। কিন্তু এ ধর্মতত্ত্বের মহত্তম দিক হলো এ রকম ধারণা যে, স্বয়ং কৃষ্ণই চৈতন্যরূপ নিয়েছেন নিজের মধ্যে রাধাপ্রেম অনুভব করার জন্য, যাকে বলা যেতে পারে, তথাকথিত দ্বৈতাদ্বৈত বা যুগলাবতার। রাধা ও কৃষ্ণ অভিন্ন সত্তায় বিলীন; চিরদিন বিচ্ছিন্ন ও চিরদিন মিলিত। এ দৃষ্টিভঙ্গি ভক্তির স্বরূপ ব্যাখ্যায় রামানন্দ রায়ের বিখ্যাত প্রশ্নোত্তরমূলক আলেখ্যে উন্মোচিত হয়েছে (২.৮), কিন্তু এ তত্ত্ব চৈতন্যের জীবনের শেষাংশে পুরীতে চৈতন্যের অনুলেখক স্বরূপ দামোদরের উপর আরোপিত। এ মহান ধর্মতত্ত্ব চৈতন্যের অবতারত্ব সম্পর্কে গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের পরবর্তী সকল ব্যাখ্যায় যথোপযুক্ত মান তৈরি করেছে।

ভক্তি কল্পতরুর রূপকসংগঠনের সাহয্যে আদি লীলার সর্গগুলি চৈতন্যের পরিচয় ও বংশধারা (১. ১-৪, ১-১০), তাঁর ঘনিষ্ঠতম পরিকরেরা এবং তাদের পরম্পরা যেমন নিত্যানন্দ (১.৫ ; ১.১১), অদ্বৈত আচার্য (১.৬ ; ১.১২), গদাধর (১.৭ ; ১.১২) এবং অন্যান্য ভক্তের (১.৮-৯) প্রতি নিবেদিত। এ খন্ডে গৃহত্যাগ করে চৈতন্যের সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ পর্যন্ত কাহিনী সংক্ষিপ্ত বর্ণনার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে (১. ১৩-১৭)। এটি চৈতন্যভাগবতের বিষয়বস্ত্তর কার্যকর রোমন্থন।

মধ্য লীলায় রয়েছে চৈতন্যের সন্ন্যাস গ্রহণের বিশদ বিবরণ (২. ১-৩), মাধবেন্দ্র পুরীর আখ্যান (২. ৪-৫), চৈতন্য কর্তৃক পন্ডিত সার্বভৌম-এর ধর্মান্তরণ (২.৬), দক্ষিণে চৈতন্যের তীর্থভ্রমণ (২. ৭-১০)। মধ্য লীলার মধ্য-অংশে পাওয়া যায় জগন্নাথের রথযাত্রা ও অন্যান্য উৎসবের কালে চৈতন্য ও তাঁর ভক্তদের প্রাত্যহিক ও বাৎসরিক কর্মকান্ড। মধ্য লীলার শেষাংশে আছে রূপ ও সনাতনের সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকারের বিশদ বর্ণনা (২. ১৭-২৫), যার মধ্যে রয়েছে পার্থিব ভক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ষড় গোস্বামীদের দ্বারা বিকশিত ধর্মতত্ত্ব ও নান্দনিক তত্ত্বের অবস্থান।

অন্ত্যলীলা ভক্তিরস সৃষ্টির বাহন হিসেবে রূপ গোস্বামী প্রণীত নাটকগুলির জরিপ দিয়ে শুরু হয়েছে। চৈতন্যের জীবনের অন্তিম পর্বে অসংখ্য ভক্তের ও কখনও কখনও ভাষ্যকারের কর্মাবলি এবং চৈতন্যের সঙ্গে তাঁদের পারস্পরিক ভাব বিনিময় বিশেষত হরিদাস, রঘুনাথ দাস ও জগদানন্দের তাৎপর্যপূর্ণ কাহিনী গল্পকাহিনী আকারে পরিবেশিত হয়েছে। বিরহ অর্থাৎ কৃষ্ণ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার আকুল উদ্বেগ বেড়ে যাওয়ার পরে রয়েছে চৈতন্য জীবনীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ। খন্ডটি সমাপ্ত হয়েছে চৈতন্যের নামে আরোপিত বিখ্যাত ‘শিক্ষাষ্টক’ অর্থাৎ আটটি শ্লোকে ব্যক্ত চৈতন্যের নির্দেশ দিয়ে।

চৈতন্য চরিতামৃতের পান্ডুলিপিগুলি একই রকমের এবং মুদ্রিত সংস্করণে অতি সামান্য হেরফের হয়েছে। একইভাবে এটি ষোল শতকে জীবনী রচনায় গুরু-পরম্পরার আদর্শ তৈরীতে তাৎপর্য সৃষ্টি করেছে। আর টীকাভাষ্য দিয়ে পুথির মুদ্রণে উনিশ ও বিশ শতকের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি এমনই রীতি যা আজ পর্যন্ত অনুসৃত হয়ে চলেছে এবং একটি বৃহত্তর গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভিন্ন দলকে একাত্ম করার ব্যবস্থা করেছে। [WORDS:-918]

Chaitanya Charitamrita of Krishnadasa Kaviraja holds the place of honor as the authoritative final word in the hagiographical tradition devoted to Krsna Chaitanya (1486-1533 AD). The book serves as a compendium of Vaisnava lore that provides the details of Chaitanya’s life, especially the years of his renunciation, and how that life exemplified model devotion. The text outlines the basic theological positions developed by the Gosvamis in metaphysics, ontology, and aesthetics, and provides synopses of rituals appropriate to devotees. Because it is encyclopedic, it is the most often reproduced text within the tradition and serves as a theological standard against which all other writings are measured. It is from this text that devotees first understood the connection between the Gosvami writings as a coherent and systematic theology and the life of Chaitanya, for Krsnadasa was senior among the handful of devotees who studied with all of them.

Writing from Vrndavana, he finished this lengthy book toward the end of his life, although precisely when that was, is still debated within the scholarly community. Citations within the text declare a date some time after 1592, but the consensus argues for a considerably later date between 1609 and 1615. Any of these dates place the text at the end of the creative period of Chaitanya hagiography, which began in Sanskrit with Murari Gupta’s Krsna Chaitanyacharitamrta or Kadacha (c 1533) and the Bengali chaitanya bhagavata of Vrndavana Dasa (c mid-1540s). Although massive in size, the book was frequently copied and widely circulated in Bengal and Orissa in the early decades of the 17th century by a trio of students trained by the surviving Gosvamis and Krsnadasa: Srinivasa, Narottamadasa, and Shyamananda.

The sheer volume of the text undoubtedly contributed to its influence, for in its current critical edition the text stretches to approximately 24,000 lines of Bengali, written primarily in payara couplet with numerous passages in tripadi or three-footed metre. In addition the text intersperses more than one thousand couplets from seventy-five Sanskrit sources starting with the itihasas and puranas, especially the Bhagavata and the Gita, but also numerous citations of ritual manuals (tantra), poetry (kavya), aesthetic theory (rasa-shastra, nataka), and a host of metaphysical, commentarial, and eulogistic texts (tattva, bhasya, stotra, etc). Its size makes it second in length only to the slightly larger Chaitanya Bhagavata, and its organisation likewise parallels that of the Chaitanya Bhagavata.

Like the Chaitanya Bhagavata, the Chaitanya Charitamrta is divided into three sections- adi, madhya, antya – of 17, 25, and 20 chapters respectively. Krsnadasa explicitly drew numerous comparisons between the Chaitanya Bhagavata and his own narrative, which suggests that the mirror organisation was very deliberate. This rhetorical strategy invites the reader to conclude that the Chaitanya Charitamrta simply continued what the Chaitanya Bhagavata began with its narrative some seven or eight decades earlier. While the Chaitanya Bhagavata concentrates on Chaitanya’s life in Navadvipa when he was still a householder devotee, the Chaitanya Charitamrta focuses on his life after renunciation in Puri and on his pilgrimages. The result of these many comparisons has led the tradition tacitly to acknowledge that the Chaitanya Charitamrta is the conclusion of the hagiographical tradition.

Following a strategy of non-contradiction and conciliation, he included each of the current theories of divinity into a progressive or inclusive hierarchy of preferred forms (1.1-4; 2.8; 2.20-21): angsha or ‘partial incarnations’, yugavatara for the Kali Age, and all other forms such as manvantara, dashavatara, vyuha, and so forth. This inclusiveness was possible because, following the Chaitanya Bhagavata, Krsnadasa declared Chaitanya not to be simply a descent of God, but svayang bhagavan, the complete godhead, which meant that Chaitanya was the avatarin that included all forms of descent. The mechanism for effecting this wide dispersal of devotion was the community around Chaitanya himself, personified as the pancha tattva composed of Chaitanya, Advaitacharya, Nityananda, Gadadhara, and Shrivasa, who represents the other devotees. But the most novel aspect of this theology was the assertion that Chaitanya was the form assumed by Krsna in order to experience Radha’s love for himself, the so-called androgynous or ‘dual’ incarnation: Radha and Krsna fused into a single entity, forever separate, forever in union. This perspective was revealed in the narrative by Ramananda Raya in the famous exchange of questions and answers about the nature of devotion (2.8), but its theory attributed to Svarupa Damodara, Chaitanya’s amanuensis in Puri during the last half of his life. This novel theology has become the standard interpretation for all subsequent Gaudiya Vaisnava interpretations of Chaitanya’s descent.

Organised through the metaphor of the wishing tree of devotion (bhaktikalpataru), the adi lila devotes chapters to Chaitanya’s identity and personal lineage (1.1-4; 1.10), and his closest companions and their paramparas: Nityananda (1.5; 1.11), Advaitacharya (1.6; 1.12), Gadadhara (1.7; 1.12), and the other devotees (1.8-9). This section ends with a brief summary of the years of Chaitanya’s life up to his renunciation (1.13-17), an effective recapitulation of the contents of the Chaitanya Bhagavata.

The madhya lila details his renunciation (2.1-3), stories of Madhavendra Puri (2.4-5), Caityanya’s conversion of the scholar Sarvabhauma (2.6), his pilgrimage south (2.7-10). The mid-portion of madhya lila gives examples of the daily and annual activities of Chaitanya and his devotees during the Jagannatha car festival or rathayatra, and other festivities (2.11-16). The last part of madhya lila details his important meetings with Rupa and Sanatana (2.17-25), and which includes extensive outlines of the theological positions of Gosvami-developed theology and aesthetic theory as applied to practical devotion.

The antya lila begins with surveys of the plays composed by Rupa as vehicles to produce devotional rasa (3.1). Activities of various devotees and occasional critics and their interactions with Chaitanya during the last phase of his life are given anecdotally (3.2-12), especially including significant tales of Haridasa, Raghunatha Dasa, and Jagadananda. Chaitanya’s increasing experience of the searing agony of separation from Krsna known as viraha (3.13-19) is followed by the summary of the life of Chaitanya, and concludes with the famous siksastaka or instruction in eight verses attributed to Chaitanya himself.

Manuscripts are uniform and printed editions vary only slightly. In the same way that writing a biography signified legitimacy for a guru-parampara in the 16th century, printing the text with a commentary established legitimacy in the 19th and 20th centuries, a practice that continues today and which serves to align different groups within the larger Gaudiya group.

Go top


TRANSLATE WITHIN 20 MINUTES 

3

জৈব কৃষিব্যবস্থা (Organic Farming)  সাংশ্লেষিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল না হয়ে শস্য উৎপাদনের এক প্রকার কৃষিব্যবস্থা। সম্পূর্ণরূপে জৈববস্ত্ত ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল কৃষিব্যবস্থাকে বর্তমানে ইকোলজিক্যাল কৃষিব্যবস্থা বলা হয়। ইকোলজিক্যাল বা জৈব কৃষিব্যবস্থায় পরিবেশের ওপর চিরাচরিত কৃষিব্যবস্থায় সৃষ্ট কিছু নেতিবাচক প্রভাব হ্রাসের সম্ভাবনা আছে। জৈব কৃষিব্যবস্থায় সাংশ্লেষিক সারের ব্যবহার হ্রাস বা সাংশ্লেষিক সার ব্যবহার না করার ফলে পরিবেশগত মারাত্মক ক্ষতি এবং বন্যপ্রাণীর ওপর বিরূপ প্রভাব হ্রাস করতে পারে। সাংশ্লেষিক সার মৃত্তিকার ভৌত, রাসায়নিক ও জৈব ধর্মাবলি উন্নত করে না কিন্তু এসব ধর্মের ওপর জৈববস্ত্তর অনুকূল প্রভাব রয়েছে। সুতরাং জৈববস্ত্তর ব্যবহার মৃত্তিকার উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে এবং সে সঙ্গে মৃত্তিকার উত্তম অবস্থা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয়। সারা পৃথিবীব্যাপী বর্তমান সময়ে ব্যবহূত অতি পরিচিত জৈব বস্ত্তগুলো হলো জীবাণুসার, হিউমেট সার, শস্যের অবশেষ, সবুজ সার, গোয়ানো (এক প্রকার পাখির বিষ্ঠা), হাড়ের গুঁড়া, কম্পোস্ট, খামারজাত সার, মাছের গুঁড়া, মাছের বর্জ্য, তরল জৈব সার, নর্দমার আবর্জনা, স্লারি (slurry) ইত্যাদি। রাসায়নিক সার আগমনের পূর্বে বাংলাদেশের কৃষি সম্পূর্ণরূপে জৈব পদার্থ ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল ছিল। প্রাণিজ সার, শস্য অবশেষ এবং গৃহস্থালির বর্জ্য এ তিনটি প্রধান উৎস থেকে জৈব সার ব্যবহার করা হতো। কিন্তু রাসায়নিক সার ব্যতীত কৃষি কাজ অবাস্তব বলে মনে হয়। কারণ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিতে উন্নতমানের কৃষি সামগ্রীর চেয়ে বরং অধিক খাদ্যের প্রয়োজন।

বাংলাদেশের মোট আবাদী এলাকার মধ্যে প্রায় ১৩% তিন ফসলী, ৫০% দো-ফসলী এবং বাদবাকি ৩৭% এলাকা এক ফসলী চাষের অন্তর্ভুক্ত। এসব মৃত্তিকাতে বোরো, আমন ও রবিশস্য আবাদ করা হয়। কৃষকদের মধ্যে অনেকেই কেবল রাসায়নিক সার, কেউ কেউ রাসায়নিক ও জৈব সার এবং কেউ কেউ কেবল জৈব সার ব্যবহার করছে। জৈব সারের মধ্যে খৈল, গৃহস্থালির বর্জ্য, খামার সার, খামারজাত সার এবং কচুরিপানা অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং বাংলাদেশের সার্বিক কৃষিব্যবস্থা অত্যন্ত জটিল।

সাংশ্লেষিক সার ও অন্যান্য রাসায়নিক বস্ত্তর অবিরত ব্যবহার মৃত্তিকার ধর্মাবলির ওপর ইতোমধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এবং এর ফলে উৎপাদন মাত্রায় স্থবির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিম্নমুখী হয়েছে। মৃত্তিকার স্বাভাবিক উৎপাদনশীলতা উদ্ধার করতে জৈব পদার্থ অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। অধিকন্তু, জৈব কৃষিব্যবস্থাকে  শাকসবজি ও উদ্যান শস্য উৎপাদনের জন্যও সম্প্রসারিত করা যেতে পারে।

Organic Farming is a system of farming practices which is different from conventional farming that is heavily dependent on the use of synthetic fertilisers and pesticides. Organic farming is currently termed as ecological farming based solely on organic inputs. Ecological or organic farming systems have the potentials to reduce some of the negative impacts of conventional agriculture on the environment. The reduction or non-use of synthetic chemicals with organic farming system can decrease the environmental hazards and possible adverse effects on wildlife. Organic materials improve the physical, chemical and biological properties of soil in contrast to synthetic fertilisers. Use of organic materials is, therefore, necessary to sustain the productivity of soils as well as soil health. The most common organic materials which are currently used throughout the world are biofertilisers, humate fertilisers, manure spreaders, crop residues, green manure, guano, bone meals, compost, farmyard manure, fish meal, fish wastes, liquid manure, sewage sludge, slurry, etc.

Before the advent of chemical fertilisers the agriculture of Bangladesh was solely dependent on the use of organic materials. Three major sources of organic materials were animal manure, crop residues and domestic wastes. But agricultural practices without chemical fertilisers seem to be impractical because the country demands more production to keep pace with increasing population rather than quality products.

In Bangladesh, approximately 13% of the total cropped area is triple cropped, 50% double cropped and the remaining 37% areas are single cropped, settlement and water bodies. These soils are mainly used for Boro, Aman and Rabi crops. Some of the farmers are using chemical fertilisers, some are using chemical and organic fertilisers and some of the farmers are using only organic manure. Manure includes oil cake, household wastes, farm manure, farmyard manure and water hyacinth. Thus overall farming system of Bangladesh is very complex.

Continuous application of synthetic fertiliser and other chemicals has already created adverse effects on soil properties and as a consequence yield stagnation or even yield decline have resulted. To restore natural productivity of the soils use of organic materials is a must. Moreover, organic farming can also be extended for the production of vegetables and horticultural crops.

Go top