Bengali to English Translation-Page-21

Print Friendly, PDF & Email

নাপিত চুল ছাঁটা বা কাটার কাজে নিয়োজিত বিশেষ পেশার লোক। হিন্দু ও মুসলমান উভয় সমাজে নাপিত ছিল একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান স্বরূপ।Barbers[Napits] are known as paramaniks, is an occupational Hindu caste traditionally engaged in hair cutting.

Print Friendly, PDF & Email

PAGE :- 1 – 2 – – 4 – 5 – – 7 – – – 10 – 11 – 12 13 –14 – 15-16 – 17 – 18 – 19 – 20


নাপিত চুল ছাঁটা বা কাটার কাজে নিয়োজিত বিশেষ পেশার লোক। হিন্দু ও মুসলমান উভয় সমাজে নাপিত ছিল একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান স্বরূপ। আগেকার দিনে হিন্দু সস্প্রদায়ের বিয়ে ও জন্ম উৎসবে নাপিতরা কিছু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করত। মুসলিম পরিবারবর্গও নবাগত শিশুর মাথা ন্যাড়া করার জন্যে নরসুন্দরের দ্বারস্থ হতো। হিন্দু পরিবারে কারও মা অথবা বাবা মারা গেলেও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর নাপিত তার ছেলেদের মাথা ন্যাড়া করে দেয়। গ্রামের বাজারে নাপিতদের নির্দিষ্ট দোকান আছে।

সেখানে গ্রামের লোকেরা তাদের চুল কাটা, ছাঁটা, নখ কাটা এবং ছোটখাট কাটাছেঁড়ার কাজ করায়। এসব সেবা প্রদানের মাধ্যমে নাপিত উপার্জন করে। এই উপার্জন অর্থ হতে পারে, আবার কোন দ্রব্যসামগ্রীও হতে পারে। আগেকার দিনে নাপিতদেরকে কাজের বিনিময়ে সাধারণত দ্রব্যসামগ্রী দেওয়া হতো। এই বিনিময় প্রথার নাম ছিল যজমানি ব্যবস্থা। গ্রামের লোকজন সারা বৎসরের সেবার বিনিময়ে নাপিতদের ফসলের মৌসুমে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যশস্য দিত। চালাকিপনা, রসিকতা, আড্ডাবাজি ও গল্প বলায় নাপিতদের বিশেষ দক্ষতা ছিল। এক পরিবার থেকে আরেক পরিবারে এবং এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে তথ্য আদানপ্রদান হতো নাপিতদের মাধ্যমে।

এছাড়া শিশুর জন্ম-সংবাদের বাহক হিসেবে তারা কাজ করত। আর নবজাতক ছেলে শিশু হলে সে খবর সরবরাহ করে উভয় পক্ষ থেকে তারা উপহার পেত।


কেউ কেউ মনে করেন, নাপিত এসেছে  ক্ষত্রিয় পিতা এবং  শূদ্র মাতার পরিবার থেকে। অনেকের ধারণা নাপিতের উৎপত্তি দেবতা  শিব থেকে, যিনি তাঁর স্ত্রীর নখ কেটেছিলেন। নাপিতরা কতিপয় অনুসস্প্রদায়ে বিভক্ত, যথা আনারপুরিয়া, বামানবেন, বরেন্দ্র, রাঢ়ী, মাহমুদাবাজ, সপ্তগ্রাম, সাতঘরিয়া, খোট্টা ইত্যাদি। নাপিত নিম্ন সস্প্রদায়ের হলেও অস্পৃশ্য নয়। এমনকি ব্রাহ্মণরাও নাপিতের হাতে পানি পান করে। অধিকাংশ নাপিতই বৈষ্ণব। ধর্মীয় কাজে তারা ব্রাহ্মণদের ও পুরোহিত হিসেবে নিযুক্ত করে থাকে। তাদের মৃতদেহ আগুনে পোড়ানো হয়। মৃত্যুর একত্রিশ দিন পর শাস্ত্রমতে তাদের শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। খাবারদাবার পরিবেশনে তারা হিন্দুশাস্ত্র মেনে চলে। বৈষ্ণব নাপিত মাংস খায় না, কিন্তু মাছ খায়।

শহুরে নাপিতদের অবস্থান ও চিত্র একেবারেই ভিন্ন। এখানে নারীপুরুষ বা ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্য সেলুন আছে। সবধর্মের লোকই নাপিত হিসেবে কাজ করে। তারা চুল কাটার আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দক্ষতার সাথে সেলুনে কাজ করে। গ্রামের নাপিতদের চেয়ে তাদের উপার্জন অনেক বেশি। শহুরে নাপিত চুলকাটা ও কেশসজ্জা এবং কখনও বা মাথা মালিশ করা ছাড়া অন্য কিছু করে না। গ্রামের নাপিতরা কেশবিন্যাস বা মালিশের কাজ  প্রায় করে না বললেই চলে।

Barbers[Napits] are known as paramaniks, is an occupational Hindu caste traditionally engaged in hair cutting. In olden times, the napit was a social institution. On the occasions of births and marriages of Hindu families, a napit used to perform some rituals.

Muslim families also engaged napits for the ceremonial shaving of the heads of the new-born babies. Napits shave the heads of Hindu males after obsequies. Traditionally, in rural markets, a napit has a fixed shop where people visit to have haircuts, to cut their nails and to have small surgeries done. He was paid for these services either in cash or in kind. In the long past, payment was generally made in kind. The system of exchange between service and kind was called Jajmani. The village people paid him in crops at harvest time in exchange of the services that they received from the napit throughout the year.

The napits were well known for their cleverness, sense of humour, and penchant for gossiping and story telling. Inter-family and inter-village information was normally obtained through the napits. The village people invariably engaged napits to carry the news of births of male children. And, for the good news that they served, they received gifts.


Many hold the opinion that the first napit of Bengal was the son of a ksatriya father and a shudra mother. Many others say that it was a person engaged by shiva for cutting his wife’s nails. Napits are divided into several sub-castes, such as Anarpuria, Bamanbane, Barendra, Radhi, Mahmudabaz, Saptagram, Satgharia, and Khotta. Unlike many other lower castes, napits are not considered as untouchables. Even a brahman can take water from the hand of a napit. Most napits are Vaishnavas. They employ Brahmans as priests. Napits burn their dead bodies and perform shraddha in the orthodox fashion on the thirty-first day of death. Their rules regarding diet are the same as those followed by most respectable Hindus. Vaishnava napits do not eat meat, but as a rule, they eat fish.

Barbers belong to different categories in cities. In urban areas there are saloons for men and women and the workers in these saloons are skilled hands, use modern equipment for hair cutting, and come from all religions. They have higher incomes than their rural counterparts. The urban barbers play no other role than hair cutting and hair dressing and sometimes, messaging the head, neck and hands of customers. Hair dressing and messaging are not in vogue in the rural areas. The institution of napit is now almost extinct. Now any one can take to the profession as a business and leave it any time for other jobs. In older times, massaging was also a job of the napit. Massaging is also there in the saloon, a hair dressing place. But it is more a specialization than a caste job as of the past.


ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে বখতিয়ার খলজী বঙ্গ জয় করার পর জমির খাজনা উৎপাদিত ফসলের ছয় ভাগের এক ভাগ থেকে পাঁচ ভাগের একভাগে বা চার ভাগের একভাগে পরিবর্তিত হয়। এই রাজস্ব নগদ অর্থ অথবা দ্রব্যের আকারে প্রদান করতে হতো। যে সকল প্রজা জমির খাজনা নগদ প্রদান করত তাদের ইচ্ছানুযায়ী জমি হস্তান্তরে বাধা ছিল না। তবে যারা খাজনা হিসেবে ফসলের হিস্যার বিনিময়ে জমি চাষ করত তাদের এ ধরনের জমি হস্তান্তরের কোন অধিকার ছিল না। এই জমি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রজাদের সন্তানরা পেত এবং তারা তাদের পূর্বপুরুষের মতো শর্তাধীনে এসব জমি চাষ করতে পারত। যারা জমির খাজনা নগদে পরিশোধ করত তাদেরকে নিজ দায়িত্বেই তা করতে হতো। পাওনা আদায়ের জন্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেত এবং অনাদায়ি খাজনার জন্য জমি থেকে তাদেরকে উচ্ছেদ করা যেত। রাজকীয় কর্মকর্তাদের বেতন হিসেবে এবং ধর্মীয় ও পন্ডিত ব্যক্তিদের জীবনযাপনের জন্য কেবল পতিত জমি জায়গির বা আয়েমা হিসেবে দান করা হতো। কোন পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় এনে নির্ধারিত খাজনা প্রদানের বিনিময়ে ঐ জমির মালিক হওয়া যেত। পতিত জমি ছিল সরকারের খাস জমি এবং বাদবাকি চাষকৃত জমিতে সরকারি কর পরিশোধের মাধ্যমে মালিকানা লাভ করা যেত। কালক্রমে, গ্রামপ্রধানদের ক্ষমতা অনেকাংশে খর্ব করা হলে অনেকেই স্থানীয় তালুকদার হিসেবে রূপান্তরিত হয়। তারা চাষিদের কাছ থেকে সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত রাজস্ব আদায় করে উপরস্থ ভূস্বামী জমিদারকে প্রদান করত। বিনিময়ে তারা সম্মানী হিসেবে আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ পেত। নির্ধারিত রাজস্বের বিনিময়ে সরকার খাসজমি অন্যকে ইজারা দিতে পারত এবং ইজারাদাররা এ ধরনের জমি নিজে অথবা বর্গাদারের মাধ্যমে চাষ করত। বর্গাদারদের ফসলের অর্ধেকের হিস্যা ছাড়া জমির ওপর কোন অধিকার ছিল না। সরকারি ইজারাদার যেমন জায়গিরদার এবং আয়েমাদারগণ তাদের জমি অন্যের নিকট খাজনার বিনিময়ে ইজারা দিতে পারত।

মুগল শাসনামলে গোটা দেশের জমির খাজনা ফসলের এক-ষষ্ঠাংশ ধার্যের মাধ্যমে ভূমি কর ব্যবস্থা আরও অধিকতর নিয়মবদ্ধ ও সুসঙ্গত করা হয়। সরকারি কর্মকর্তা আমিন কর নির্ধারণ করত এবং তারা জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদও মীমাংসা করত। কানুনগো, কারকুন, চৌধুরী, মুকাদ্দাম বা গ্রামপ্রধান পাটোয়ারি এবং অন্যান্য জরিপ কর্মকর্তাদের সহায়তায় আমিন প্রতিটি প্লটের বিগত ১০ বছরের গড় উৎপাদন ও উৎপাদিত পণ্যের বাজার মূল্য যাচাই-পূর্বক রাজস্ব নির্ধারণ করত। কানুনগোরা জমি সম্পর্কিত প্রথা ও আইন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ছিল, চৌধুরীরা প্রতিনিধিত্ব করত পরগনা বা মহালবাসীর, মুকাদ্দাম বা গ্রামপ্রধান প্রতিনিধিত্ব করত গ্রামবাসীদের আর পাটোয়ারিরা ছিল গ্রামের হিসাবরক্ষক। চাষিদের বলা হতো রায়ত। তারা নগদ অথবা দ্রব্যের আকারে কর পরিশোধ করত, তবে নগদ পরিশোধ অগ্রাধিকার পেত। জমিদার, জায়গিরদার বা সরকারি খাজনা আদায়কারী যেমন আমিন, শিকদার, আমলগুজার অথবা ক্রোড়ি রায়তদের নিকট থেকে আবওয়াব বা নির্ধারিত করের অতিরিক্ত আদায় নিষিদ্ধ ছিল। এসব ব্যক্তি এবং জায়গিরদার ও আয়েমাদারগণ যেমন রায়তদের জমি থেকে উচ্ছেদ করতে পারত না তেমনি তাদের জমি খাসজমি হিসেবে দখলেও নিতে পারত না। যখন কোন রায়ত নিজ জমি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেত অথবা জমি চাষ করার মতো পরিবারে কোন পুরুষ সদস্য থাকত না, কেবল সেক্ষেত্রে অন্যের কাছে তার জমি বন্দোবস্ত দেওয়া যেত। জমিদার, জায়গিরদার বা আয়েমাদাররা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন জমির মালিক ছিল না। তারা শুধু সরকার নির্ধারিত রাজস্ব রায়তদের নিকট থেকে আদায় করতে পারত। যদি জমিদারির অধিকার বংশানুক্রমিক হতো তাহলেই কেবল তা হস্তান্তরযোগ্য ছিল। কিন্তু ইজারাদারি, জায়গিরদারি বা আয়েমাদারি বংশানুক্রমিক বা হস্তান্তরযোগ্য ছিল না। পরবর্তীকালে আয়েমাদারি হস্তান্তরযোগ্য করা হয়। জমিদার বা ইজারাদারগণ আদায় খরচ ও আদায় সম্মানী হিসেবে ভূমিকরের একটা অংশ পেত।

গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা, যারা নিজেরাই বা অন্যের মাধ্যমে, নিজ গ্রামে জমি চাষ করত তাদেরকে বলা হতো খুদকাশ্ত রায়ত। তাদেরকে পরগনা বা নিরিখের জন্য প্রথানুযায়ী অথবা তাদের অনুকূলে সম্পাদিত ইজারা দলিলে বা পাট্টাতে উল্লিখিত হারে রাজস্ব প্রদান করতে হতো। যদি তারা নিয়মিত কর পরিশোধ করত তাহলে তাদেরকে জমি থেকে উচেছদ করা যেত না এবং তারা বংশপরম্পরায় এই জমির মালিকানা ভোগ করত। তাদের খুশিমতো তারা জমি পরিত্যাগও করতে পারত না। ভিন্ন গ্রামের মানুষ যারা জমি চাষ করত তাদের বলা হতো পাইকাশ্ত রায়ত। তারা চুক্তিভিত্তিতে খাজনা পরিশোধ করতে পারত। কিন্তু জমি দখলে রাখার কোন অধিকার তাদের ছিল না। তারা আসলে ছিল উচ্ছেদযোগ্য চাষি এবং ফসল কাটার পর যে কোন সময় তাদেরকে বিতাড়ন করা যেত। তারাও ইচ্ছেমতো এ ধরনের জমি পরিত্যাগ করতে পারত। জমিদার জায়গিরদার, চৌধুরী, তালুকদাররা তাদের দখলীকৃত খাসজমি বর্গাদারদের দ্বারা অথবা কৃষিশ্রমিকের সাহায্যে চাষাবাদ করতে পারত। এক্ষেত্রে বর্গাদার বা শ্রমিকদের ফসলের হিস্যা বা মজুরি পাওনা ছাড়া জমির ওপর তাদের কোন অধিকার ছিল না।

When Bengal was conquered by Bakhtiar Khalji at the beginning of the 13th century, the rulers merely changed the rate of land revenue from one-sixth to one-fifth or one fourth of the produce, payable either in cash or in kind. Customary rights of landowners to transfer the land in any manner they liked, were not interfered with in case of those tenants who used to pay rent. But those who paid a share of the produce of the land cultivated by them as rent or revenue, had no such right to transfer the land. However, such land was heritable by the heirs of such tenants and could be cultivated by such heirs on the same terms and conditions as their predecessors enjoyed. Those who paid rent or revenue in cash were personally liable for the same, and could be sued for the recovery of arrears of dues, but could not be evicted from their land for non-payment of revenue. Only wastelands were given as jagir or ayma to royal officers in lieu of their salary, and to religious and learned persons for their maintenance. Whoever brought under cultivation any wasteland became owner of the same, subject to payment of rent or revenue assessed.

In course of time, when the power of the grampradhanas (village heads) was substantially curtailed, many of them were turned into local talukdars. These talukdars used to collect revenue from the cultivators at the rate assessed by the government and paid the same to superior landlords also known as zamindars, although they got a share of the collection as their remuneration. The government could lease out the khas lands on fixed revenue to others. The lessees of such lands could themselves cultivate the same or get the same cultivated through bargadars (sharecroppers) who had no rights to the land beyond getting half of the produce. Government grantees such as jagirdars and aymadars could, in their turn, also lease out their land to others on a rental basis, but they could not disturb possession of the cultivators whose land was included in their respective grant except realizing rent from them.

During Mughal rule, the land revenue system was systematised and consolidated by assessing the land revenue of the entire country at the rate of one-third of the produce. Revenue was then assessed by government officers known as amins, who also settled land disputes. Such officers used to assess revenue with the help of the kanungo, who knew the customs and regulations regarding land. Karkuns preserved records regarding land surveys and land revenue assessment and chowdhuris represented the inhabitants of the pargana, also called mahal or mukaddam. Patwaris or village accountants and other survey officers surveyed each and every plot of land on the basis of average production and market price of the produce for the previous ten years. Cultivators known as raiyats could pay revenue either in cash or kind, but cash payment was preferred. Zamindars, jagirdars or government rent collectors such as amils, sikdars, amalguzars or croris were prohibited from realising any additional amount known as abwab other than the assessed revenue from the raiyats. Those persons, as well as jagirdars and aymadars, could neither evict the raiyats from their land nor bring the land to their khas possession or let it out to others. Only when raiyats went elsewhere leaving their land, or when there was no male person in the family to cultivate the land, could the land be settled with others. Zamindars, jagirdars or aymadars were not proprietors of the land under their control. They could only collect revenue from the cultivating raiyats at government assessed rates. Zamindari right was hereditary but ijaradari, jagirdari or aymadari rights were neither hereditary nor transferable. Later, aymadari was made heritable. Zamindars or ijaradars got a share of their collection of land revenue as their remuneration and collection cost.

Permanent settlers of villages who themselves cultivated lands of their own village or through others were known as khudkast raiyats. They had to pay revenue at the customary rate of their pargana called nirikh, or at the rate mentioned in the patta or lease deed executed in their favour. If they paid the revenue fixed for their land, they could not be evicted, and could possess their lands from generation to generation. They also could not abandon their land at their sweet will. Those who cultivated the land of the village where they did not live, were known as paikast raiyats and could pay rent on a contract basis. But they had no right to continue in possession and were merely tenants-at-will, and could be denied the right to cultivate the land any time after harvesting was over. Such raiyats could also abandon such land at their sweet will. Zamindars, jagirdars, chowdhuries and talukdars could get land in their khas possession cultivated through bargadars or agricultural labourers who had no rights on such land except to get a half share of the produce or wages for their labour.


Next Post

Bengali to English Translation-page-22

Wed Apr 11 , 2018
PAGE :- 1 – 2 – 3 – 4 – 5 – 6 – 7 – 8 – 9 – 10 – 11 – 12 –13 –14 – 15 – 16 – 17 – 18 – 19 – 20 – 21 – 22 TRANSLATE WITHIN 20  MINUTES  মহুয়া  মধ্যম থেকে বৃহৎ আকারের একটি বৃক্ষ Madhuca longifolia। এটি Sapotaccae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশে মহুয়ার আরেকটি প্রজাতি M. indica। এই বৃক্ষ ২০ মিটার পর্যন্ত উচ্চতাবিশিষ্ট হতে পারে। এর গুঁড়ি[the bole] তুলনামূলকভাবে ছোট এবং শীর্ষদেশ গোলাকার ও বিস্তৃত[round spreading crown]। এই বৃক্ষের শিকড়গুলি ছড়ানো এবং […]

You May Like

Recent Updates

%d bloggers like this: