হরিপুরা কংগ্রেস—সভাপতির অভিভাষণ—প্রস্তাবিত যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পনার বিরোধিতা (Presidential address by Subhas Chandra at Haripura Congress-1938)

১৯শে ফেব্রুয়ারী অপরাহ্ণে বিচিত্র সমারোহে ও মনোহর দৃশরাজির মধ্যে ‘বিটলনগরে’ ভারতীয় জাতীয় মহাসভার ৫১তম অধিবেশন আরম্ভ হয়। সুভাষচন্দ্র এই জাতীয় যজ্ঞের ঋত্বিক। ভারতের বিভিন্ন স্থান হইতে আগত দুই লক্ষাধিক নর-নারীর সমাবেশে ‘বিটলনগর’ জনসমুদ্রে পরিণত হইয়াছে। বাঙ্‌লার একদল গায়িকা কর্ত্তৃক সুললিত কণ্ঠে বন্দেমাতরম্ সঙ্গীত গীত হওয়ার পর অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি গোপালদাস সমাগত প্রতিনিধি ও দর্শক বৃন্দকে সাদর সম্ভাষণ জানাইয়া তাঁহার সংক্ষিপ্ত অথচ চিত্তাকর্ষক অভিভাষণ পাঠ করেন

দিল্লী চলো-সুভাষচন্দ্র বসু – Dilli Cholo by Subhas Chandra Bose

আমি তোমাদের কর্ত্তব্য স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি,—সে কর্ত্তব্য দ্বিবিধ। অস্ত্রবলের দ্বারা এবং নিজেদের শোণিতোৎসর্গ করে ভারতের স্বাধীনতা অর্জ্জন করতে হবে। তারপর ভারত যখন স্বাধীন হবে, তখন স্বাধীন ভারতের জন্যে স্থায়ী সেনাবাহিনী গড়ে তুলবে তোমরাই। তখন কর্ত্তব্য হবে ভারতের স্বাধীনতা রক্ষা করা। তোমরা আমাদের দেশরক্ষার শক্তি এমন অটল ভিত্তির উপর স্থাপন করবে যেন আর কোনদিন, আমরা স্বাধীনতা না হারাই। সৈনিক হিসাবে তোমাদের তিনটি আদর্শ হৃদয়ে পোষণ করতে হবে এবং তদনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালিত করতে হবে।

মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং- রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায় – 1881

পরে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অঙ্গ বঙ্গ কলিঙ্গ রাঢ় গৌড় কাশী দ্রাবিড় উৎকল কাশ্মীর প্রভৃতি দেশস্থ যাবদীয় পণ্ডিতেরদিগের প্রতি নিমন্ত্রনের লিপি পাঠাইলেন। যজ্ঞের কাল উপিস্থত হইলেই সকল দেশীয় ধীরবর্গেরা আসিলেন। রাজা অতিশয় ঘটা পূর্ব্বক যজ্ঞ সম্পূর্ণ করিলেন এবং সকল লোককে যথেষ্ট ধন দিয়া পরিতোষ জন্মাইলেন। রাজার সুখ্যাতির সীমা নাই যাবদীয় পাণ্ডিতেরা রাজার নাম রাখিলেন অগ্নিহোত্রী রাজপেয়ী শ্রীমন্মহারাজ রাজেন্দ্র কৃষ্ণচন্দ্র রায় এই নাম মহারাজ প্রাপ্ত হইয়া আনন্দার্ণবে মগ্ন হইলেন।

শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতা-প্রথমোহধ্যায়ঃ-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মহাভারতের ভীষ্মপর্ব্বের অন্তর্গত। ভীষ্মপর্ব্বের ৩ অধ্যায় হইতে ৪৩ অধ্যায় পর্য্যন্ত-এই অংশের নাম ভগবদ্গীতাপর্ব্বাধ্যায়; কিন্তু ভগবদ্গীতার আরম্ভ পঞ্চবিংশতিতম অধ্যায়ে। তৎপূর্ব্বে যাহা ঘটিয়াছে, তাহা সকল পাঠক জানিতে না পারেন, এজন্য তাহা সংক্ষেপে বলিতেছি; কেন না, তাহা না বলিলে, ধৃতরাষ্ট্র কেন এই প্রশ্ন করিলেন, এবং সঞ্জয়ই বা কে, তাহা অনেক পাঠক বুঝিবেন না।

মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র-UNO

যেহেতু মানব অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা এবং ঘৃণার ফলে মানুষের বিবেক লাঞ্ছিত বোধ করে এমন সব বর্বরোচিত ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং যেহেতু এমন একটি পৃথিবীর উদ্ভবকে সাধারণ মানুষের সর্বোচ্চ কাংখা রূপে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে সকল মানুষ ধর্ম এবং বাক স্বাধীনতা ভোগ করবে এবং অভাব ও শংকামুক্ত জীবন যাপন করবে;

ব্রহ্মমন্ত্র – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ওঁ একটি ধ্বনিমাত্র— তাহার কোন বিশেষ নির্দ্দিষ্ট অর্থ নাই। সেই ওঁ শব্দে ব্রহ্মের ধারণাকে কোন অংশেই সীমাবদ্ধ করে না— সাধনা-দ্বারা আমরা ব্রহ্মকে যত দূর জানিয়াছি যেমন করিয়াই পাইয়াছি, এই ওঁ শব্দে তাহা সমস্তই ব্যক্ত করে, এবং ব্যক্ত করিয়াও সেইখানেই রেখা টানিয়া দেয় না। সঙ্গীতের স্বর যেমন গানের কথার মধ্যে একটি অনির্ব্বচনীয়তার সঞ্চার করে তেমনি ওঁ শব্দের পরিপূর্ণ ধ্বনি আমাদের ব্রহ্মধ্যানের মধ্যে একটি অব্যক্ত অনির্ব্বচনীয়তা অবতারণা করিয়া থাকে। বাহ্য প্রতিমাদ্বারা আমাদের মানস ভাবকে খর্ব্ব ও আবদ্ধ করে, কিন্তু এই ওঁ ধ্বনির দ্বারা আমাদের মনের ভাবকে উন্মুক্ত ও পরিব্যাপ্ত করিয়া দেয়।

শ্রীশ্রীপ্রেমবিবর্ত্ত- মঙ্গলাচরণ

রাধাকৃষ্ণপ্রণয়বিকৃতির্হ্লাদিনী শক্তিরস্মাদ্ একাত্মানাবপি ভুবি পুরা দেহভেদং গতৌ তৌ চৈতন্যাখ্যং প্রকটমধুনা তদ্দ্বয়ং চৈক্যমাপ্তং রাধাভাবদ্যুতিসুবলিতং নৌমি কৃষ্ণস্বরূপম্

চোদ্দ শতকের বাঙালী [Choddo sataker Bangali]-অতুল সুর [Atul Sur]

১৯৬২ খ্রীস্টাব্দের ১ জলাই বিধান রায়ের মৃত্যুর পর কংগ্রেস নেতা প্রফুল্লচন্দ্র সেন নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন। কিন্তু তাঁর অনুসৃত খাদ্যনীতি জনমতের বিরুদ্ধে যাওয়ায়, ১৯৬৭ খ্রীস্টাব্দের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন ও অজয় মুখার্জির নেতৃত্বে এক যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয়। কিন্তু তা ক্ষণস্থায়ী হওয়ায় ড. প্রফাল্ল চন্দ্র ঘোষ এক নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন । তা-ও স্বল্পকালস্থায়ী হওয়ায় ১৯৬৮ খ্রীস্টাব্দের ২০ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয়। ১৯৬৯ খ্রীস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে অজয় মুখার্জির নেতৃত্বে বামফ্ৰণ্ট সরকার গঠিত হয়। মাত্র এক বছরের বেশি এ-সরকার স্থায়ী হয় না । ১৯৭০ খ্রীস্টাব্দের ১৯ মার্চ আবার রাষ্ট্রপতির শাসন প্রবর্তিত হয় । ১৯৭১ খ্রীস্টাব্দের এপ্রিল মাসে অজয় মুখার্জির নেতৃত্বে এক ডেমোক্ৰেটিক কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় । কিন্ত দু’মাস পরে ( জুন ১৯৭১) তা ভেঙে পড়ে। তখন ( ৩০ জুন ১৯৭১) আবার রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা হয় । ১৯৭২-এর মার্চ মাসে সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ে্র নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার গঠিত হয়। ১৯৭৭ খ্রীস্টাব্দের নিবাচনে ‘বামফ্রন্ট’ দল সাফল্য অর্জন করাতে জ্যোতি বসু, ‘বামফ্রন্ট সরকার’ গঠন করেন । এই বামফ্রন্ট সরকারই এখনও পর্যন্ত ক্ষমতাসীন আছে ।

নীল-দর্পণ নাটক – Nil Darpan Natak: Dinabandhu Mitra 1860

রজতের কি আশ্চর্য্য আকর্ষণ শক্তি। ত্রিংশৎ মুদ্রালোভে অবজ্ঞাস্পদ জুডাস, খৃষ্ট-ধর্ম্ম-প্রচারক মহাত্মা যীজস্‌কে করাল পাইলেট করে অর্পণ করিয়াছিল; সম্পাদকযুগল সহস্র মুদ্রা লাভ পরবশ হইয়া উপায়হীন দীন প্রজাগণকে তোমাদের করাল কবলে নিক্ষেপ করিবে আশ্চর্য্য কি?

THE CONSTITUTION OF BANGLADESH IN BENGALI

আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;

Durga Puja Paddhyti as per Kalika Puran

Durga, as worshipped in Bengal in the season of SARAT KAL, is popularly known Akal Bodhan, which is an untimely invocation. So, what is a timely invocation of the Deity - Basanta Kal - Basanti Puja and it is observed in all over India as Navaratra[शारदीय नवरात्र].