Category: Bengali Page

পাগল হাওয়া-কি আমার মতন তুমিও হারিয়ে গেলে

পাগল হাওয়া কি আমার মতন তুমিও হারিয়ে গেলে ফুলেরও বনে হাজারও রঙের মেলায় সুরভি লুটের খেলায় তারে নাহি পেলে বসন্ত যখন এসে ঢেকে যায় আমারে কি জানি কি বা রূপে সে আসে […]

ময়মনসিংহের গান-Mymensingher Gan

বাউলগান, ভাটিয়ালী, কিস্সাপালা, কবিগান, কীর্তন, ঘাটুগান, জারিগান, সারিগান, মুর্শিদী, ঢপযাত্রা, বিয়ের গান, মেয়েলীগান, বিচ্ছেদী গান, বারমাসী, পুঁথিগান, পালকির গান, ধানকাটার গান, ধানভানার গান, হাইট্টারা গান, গাইনের গীত, বৃষ্টির গান, ধোয়া গান, শিবগৌরীর নৃত্য গীত, গাজীর গান, পটগান, আদিবাসীদের গান

ভগবদ্বচনামৃতম্- Bhagavad Vachanamritam- Sridhar Deva Goswami

শ্রীকৃষ্ণচরণে প্রপন্নগণের ও একমাত্র কৃষ্ণের প্রীতিবাঞ্ছাকারিগণের সমস্ত আর্ত্তি ও অজ্ঞান-হরণকারী এবং সমগ্র অভীষ্ট সেবাসুখপ্রদানকারী ভক্তপ্রাণসঞ্জীবক সাক্ষাৎ শ্রীভগবানের শ্রীমুখবাক্যামৃত শ্রীমদ্ভাগবত ও গীতা প্রভৃতি শাস্ত্র হইতে এখানে সংগৃহীত হইয়াছে

রাবণ বধের নিমিত্ত শ্রীরাম কর্ত্তৃক দেবীর অকালবোধন ও দুর্গোৎসব- কৃত্তিবাসী রামায়ণ

চণ্ডীপাঠ করি রাম করিলা উৎসব।
গীত নাট্ট করে জয় দেয় কপি সব।। প্রেমানন্দে নাচে আর দেবীগুণ গায়। চণ্ডীর অর্চ্চনে দিবাকর অস্ত যায়।।

হিন্দু আইনের উৎপত্তি ও উপকরণ-Source and materials of Hindu Law

নিবন্ধ বহুসংখ্যক আছে, তন্মধ্যে কতকগুলির নাম উল্লেখযোগ্য, যথা—জীমূতবাহন প্রণীত “দায়ভাগ” ; বিজ্ঞানেশ্বর প্রণীত “মিতাক্ষর”; রঘুনন্দন প্রণীত “দায়তত্ব” ; শ্ৰীকৃষ্ণ প্রণীত “দায়ক্রম-সংগ্রহ” ; বাচস্পতি মিশ্র প্রণীত “বিবাদ-চিন্তামণি” ; দেবানন্দ ভট্ট প্রণীত “স্মৃতি-চন্দ্রিকা” ; চণ্ডেশ্বর প্রণীত “বিবাদ-রত্নাকর” ; মিত্ৰমিশ্র প্রণীত “বীরমিত্রোদয়” প্রভৃতি। এই সমস্ত গ্রন্থগুলি সকল দেশ সমানভাবে প্রচলিত নহে ; কোনটী বঙ্গদেশে প্রচলিত, কোনটী বা মিথিলায় প্রচলিত, এইরূপ । বঙ্গদেশে দায়ভাগ, দায়তত্ত্ব, দায়ক্রমসংগ্রহ এবং বীরমিত্রোদয় এই চারিট গ্রন্থ প্রচলিত ; তন্মধ্যে দায়ভাগই সৰ্ব্বশ্রেষ্ঠ

মহাত্মা গান্ধী কংগ্রেসের নেতৃত্ব পরিত্যাগ করিয়াছেন-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সংবাদ আসিয়াছে, মহাত্মা গান্ধী কংগ্রেসের নেতৃত্ব পরিত্যাগ করিয়াছেন। খবরটা আকস্মিক নয়। কিছুদিন যাবৎ এমন একটা সম্ভাবনা বাতাসে ভাসিতেছিল, মহাত্মা রাজনীতির প্রবাহ হইতে আপনাকে অপস্থত করিয়া স্বী বিশাল ব্যক্তিত্ব, বিরাট কৰ্ম্মশক্তি ও একাগ্রচিত্ত ভারতের আর্থিক, নৈতিক ও সামাজিক সমস্তার সমাধানে নিয়োজিত করিবেন। তাহাই হইয়াছে। দেখা গেল, জাতীয় মহাসমিতির সভামণ্ডপে বহু কৰ্মী, বহু ভক্ত, বহু বন্ধুজনের আবেদন-নিবেদন অনুনয়-বিনয় তাহাকে সঙ্কল্পচু্যত করিতে পারে নাই। পারার কথাও নয়। বহুবার বহু বিষয়েই প্রমাণিত হইয়াছে, অশ্রুধারার প্রবলতা দিয়া কোনদিন মহাত্মাঙ্গীকে বিচলিত করা যায় না। কারণ, তার নিজের যুক্তি ও বৃদ্ধির বড় সংসারে আর কিছু আছে, বোধ হয় তিনি ভাবিতেই পারেন না। কিন্তু তাই বলিয়া এই কথাই বলি না, এ বৃদ্ধি সামান্ত বা সাধারণ।

ধর্মপ্রচার-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Dharma Prachar- Rabindranath Thakur

RAVINDRANATH TAGORE

ধর্মকে যাহারা সম্পূর্ণ উপলব্ধি না করিয়া প্রচার করিতে চেষ্টা করে, তাহারা ক্রমশই ধর্মকে জীবন হইতে দূরে ঠেলিয়া দিতে থাকে। ইহারা ধর্মকে বিশেষ গণ্ডি আঁকিয়া একটা বিশেষ সীমানার মধ্যে বন্ধ করে। ধর্ম বিশেষ দিনের বিশেষ স্থানের বিশেষ প্রণালীর ধর্ম হইয়া উঠে। তাহার কোথাও কিছু ব্যত্যয় হইলেই সম্প্রদায়ের মধ্যে হুলুস্থূল পড়িয়া যায়। বিষয়ী নিজের জমির সীমানা এত সতর্কতার সহিত বাঁচাইতে চেষ্টা করে না, ধর্মব্যবসায়ী যেমন প্রচণ্ড উৎসাহের সহিত ধর্মের স্বরচিত গণ্ডি রক্ষা করিবার জন্য সংগ্রাম করিতে থাকে। এই গণ্ডিরক্ষাকেই তাহারা ধর্মরক্ষা বলিয়া জ্ঞান করে।

ব্রাহ্মণ্যশাস্ত্রের মায়াবাদ ও অদ্বৈতবাদ- আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ

বৈদিক কবি প্রকৃতির জীবন্ত ও দেবোপম শক্তিগুলির পূজা করেন বটে, কিন্তু তাঁহার এই অদ্বৈতধৰ্ম্ম একটু বিশেষ ধরণের। ইন্দ্র, বরুণ, অগ্নি, সূৰ্য্য এই সকল দেবাত্মা বটে, কিন্তু ইহাদের ব্যক্তিগত স্বাতন্ত্র্য তেমন সুস্পষ্ট নহে—ইহাদের পরস্পরের মধ্যে আকার-বিনিময় ও পরিবর্ত্তন চলিতেছে। এই উষাই সুৰ্য্য, এই সূৰ্য্যই অগ্নি, এই অগ্নিই বিদ্যুৎ, এই বিদ্যুৎই ঝটিকা এবং এই ঝটিকাই বৃষ্টি; সকলই পরস্পরের মধ্যে যুক্ত, মিশ্রিত এবং ওতপ্রোত। ইহার মধ্যে কিছুই স্থায়ী নহে। মনুষ্যের মধ্যেও স্থায়ী ব্যক্তিত্বের ভাব নাই—বাহ্যজগতেও কেবলি পরিবর্ত্তন। এই ভাবটি বেদেতে যাহা বীজরূপে অবস্থিত, তাহা ব্রাহ্মণদিগের পুরাতন দার্শনিক কাব্যসমূহে বৰ্দ্ধিত ও পরিপুষ্ট হইয়া ক্রমশঃ বৃক্ষরূপে পরিণত হইয়াছে

দেবতায় মনুষ্যত্ব আরোপ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Devatai Manusatta Arop-Rabindranath

RAVINDRANATH TAGORE

গ্রীসীয়গণ এমন অসভ্য ছিল যে, কুটুম্ব মাংস ভক্ষণ করিত, অথবা কুটুম্ব মাংস ভক্ষণ করা অন্যায় মনে করিত না? রজনী ও প্রভাত সম্বন্ধে এক সমস্যা শুনিয়াছিলাম, যে, জন্মাইয়া মাকে সন্তান খাইয়া ফেলিতেছে। উপরি-উক্ত গ্রীসীয় কাহিনীও কি সেরূপ কোনো একটা রূপকমূলক হইতে পারে না? যদি ইহা সত্য হয় যে, গ্রীসীয়গণ কুটুম্বকে ভক্ষণ করিত না ও কুটুম্ব ভক্ষণ করা পাপ মনে করিত, তবে তাহাদের দেবতাদের কেন কুটুম্ব মাংসে প্রবৃত্তি জন্মিল। যদি বল, অসভ্য অবস্থায় এককালে হয়তো গ্রীসীয়গণ আত্মীয়দিগকে উদরসাৎ করিয়া অধিকতর আত্মীয় করিত, সেই সময়েই উক্ত কাহিনীর আরম্ভ হয়—তবে, যখন সভ্য অবস্থায় গ্রীসীয়দের সে বিষয়ে মত ও আচরণ পরিবর্তিত হইল, তখন তাহাদের বিশ্বাসও পরিবর্তিত হইল না কেন?

দুর্গা -বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় Durga-Bankim Chandra

আমাদিগের হিন্দু ধর্মকে সনাতন ধর্ম বলিবার কারণ এই যে, এই ধর্ম বেদমূলক। যাহা বেদে নাই, তাহা হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত কি না সন্দেহ। যদি হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধে কোন গুরুতর কথা বেদে না থাকে, তবে হয় বেদ অসম্পূর্ণ, না হয় সেই কথা হিন্দুধর্মান্তর্গত নহে। বেদ অসম্পূর্ণ ইহা আমরা বলিতে পারি না, কেন না তাহা হইলে হিন্দু ধর্মের মূলোচ্ছেদ করিতে হয়। তবে দ্বিতীয় পক্ষই এমন স্থলে অবলম্বনীয় কি না, তাহা হিন্দুদিগের বিচার্য।

ঔরঙ্গজেব কর্ত্তৃক গোবিন্দ মাণিক্যের নিকট লিখিত পত্র- Aurangzeb`s letter to the Tripura king Govinda Manikya

আমি সুনিশ্চিতরূপে অবগত হইয়াছি যে, আমার চিরশত্রু সুজা ভবদীয় রাজ্যে গোপনে অবস্থান করিতেছে। মদীয় পূৰ্ব্বপুরুষের সম্মানিত মহোদয়গণের সহিত আপনার গৌরবান্বিত পূৰ্ব্বপুরুষগণের পরস্পর আত্মীয়তা ও প্রণয় থাকা বশতঃ আমাদিগের সহিত বিবাদে লিপ্ত দুর্ভাগ্য আফ্‌গানেরা ভবদীয় রাজ্যে আশ্রয় গ্রহণ করিলে আপনার মহামান্য পূৰ্ব্বপুরুষগণ অসিপ্রহারে যেরূপ সেই দুষ্ট আফগানদিগকে বঙ্গদেশে বিতাড়িত করিতেন, বৰ্ত্তমানে আমিও তদ্রূপ আশা করি

ঔপনিষদ ব্রহ্ম – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- Oupanishad Brahma- Rabindranath Thakur

RAVINDRANATH TAGORE

সেই প্রাচীন মহারণ্যবাসী বৃদ্ধ পিপ্পলাদ ঋষি এবং স্ককেশা চ ভারদ্বাজ শৈবশ সত্যকামঃ, সৌৰ্য্যায়নী চ গার্গ্যঃ, কৌশল্যাশ্চাশ্বলায়নো ভার্গবো বৈদভি: কবন্ধী কাত্যায়নস্তে হৈতে ব্ৰহ্মপরা ব্রহ্মনিষ্ঠা: পরং ব্রহ্মান্বেষমাণাঃ– সেই ভরদ্বাজপুত্র মুকেশ, শিবিপুত্র সত্যকাম, সৌৰ্য্যপুত্র গার্গ্য, অশ্বলপুত্র কৌশল্য, ভৃগুপুত্র বৈদভি, কাত্যায়নপুত্র কবন্ধী, সেই ব্ৰহ্মপর ব্রহ্মনিষ্ঠ পরংব্ৰহ্মান্বেষমাণ ঋষিপুত্ৰগণ, যাহারা সমিং হস্তে বনস্পতিচ্ছায়াতলে গুরুসন্মুখে সমাসীন হইয়া ব্রহ্মজিজ্ঞাসা করিতেন র্তাহাদের সহিত আমাদের তুলনা হয় না । ন হইতে পারে, ঋষিদের সহিত আমাদের প্রভেদ থাকিতে পারে, কিন্তু সত্য এক, ধৰ্ম্ম এক, ব্রহ্ম এক ;—যাহাতে ঋষিজীবনের সার্থকতা, আমাদের জীবনের সার্থকতাও তাহাতেই

এই কি ব্রাহ্ম বিবাহ-শিবনাথ শাস্ত্রী- Ei ki Brahma Bibaha Sivanath Sastri

Brahma Samaj

সে যাহা হউক, পূৰ্ব্বোক্ত কথা গুলির মধ্যে একটী ভয়ঙ্কর মত লুকাইয়া রহিয়াছে; বিশেষতঃ ব্রাহ্ম ভিন্ন অপরের ধরিবার উপায় নাই। সে মতটী এই, কেশব বাবু বর্তমান সময়ের জগতের মুক্তির পন্থা আবিষ্কার করিবার জন্য বিশেষ ভাবে প্রেরিত; তাঁহার অবলম্বিত প্রচার প্রণালী ও সমুদায় আধ্যাত্মিক উপায়ের নাম বিশেষ বিধান। তিনি সাধারণ ব্যক্তিগণ অপেক্ষ স্বতন্ত্র। অন্য ব্যক্তিদিগের সমুদায় কৰ্ম্ম নিজ বুদ্ধির অধীন হইয়া থাকে কেশব বাবুর দৈনিক আহার পর্য্যন্ত ঈশ্বরাদেশে হইয়া থাকে। প্রতাপ বাবু ও গৌর বাবু স্পষ্টাক্ষরে বলিয়াছেন কেশব বাবু নিজে এই রূপ বিশ্বাস করেন।

অভাগীর স্বর্গ – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- Avagir Sarga – Sarat Chandra

ঠাকুরদাস মুখুয্যের বর্ষীয়সী স্ত্রী সাতদিনের জ্বরে মারা গেলেন। বৃদ্ধ মুখোপাধ্যায় মহাশয় ধানের কারবারে অতিশয় সঙ্গতিপন্ন। তাঁর চার ছেলে, তিন মেয়ে, ছেলেমেয়েদের ছেলে-পুলে হইয়াছে, জামাইরা—প্রতিবেশীর দল, চাকর-বাকর—সে যেন একটা উৎসব বাঁধিয়া গেল। সমস্ত গ্রামের লোক ধূমধামের শবযাত্রা ভিড় করিয়া দেখিতে আসিল।

রেলওয়ে- কালীপ্রসন্ন সিংহ Railway-Kaliprasanna Simha

দুর্গোৎসবের ছুটীতে হাওড়া হতে এলাহাবাদ পর্য্যন্ত রেলওয়ে খুলেছে; রাস্তার মোড়ে মোড়ে লাল কাল অক্ষরে ছাপানো ইংরাজী বাঙ্গালায় এস্তাহার মারা গেছে। অনেকেই আমোদ করে বেড়াতে যাচ্চেন-তীর্থযাত্রীও বিস্তর। শ্ৰীপাট নিমতলার প্রেমানন্দ দাস বাবাজীও এই অকাশে বারাণসী দর্শন কত্তে কৃতসঙ্কল্প হয়েছিলেন। প্রেমানন্দ বাবাজী শ্রীপাট জোড়াসাঁকোর প্রধান মঠের একজন কেষ্টবিষ্ণুর মধ্যে; বাবাজীর অনেক শিষ্য-সেবক ও বিষয়-আশয়ও প্রচুর ছিল; বাবাজীর শরীর স্কুল ভুঁড়িটি বড় তাকিয়ার মত প্রকাণ্ড; হাত পাগুলিও তদনুরূপ মাংসল ও মেদময়।

দুর্গোৎসব- কালীপ্রসন্ন সিংহ Durgotsab-Kaliprasanna Simha

এবার অমুক বাবুর নতুন বাড়ীতে পূজার ভারী ধূম! প্রতিপদাদিকল্পের পর ব্রাহ্মণ-পণ্ডিতের বিদায় আরম্ভ হয়েচে, আজও চোকে নাই—ব্রাহ্মণ পণ্ডিতের বাড়ী গিস্‌গিস্‌ কচ্চে। বাবু দেড়ফিট উচ্চ গদীর উপর তসর কাপড় পরে বার দিয়ে বসেচেন, দক্ষিণে দেওয়ান টাকা ও সিকি আধুলির তোড়া নিয়ে খাতা খুলে বসেচেন, বামে হবীশ্বর ন্যায়ালঙ্কার সভাপণ্ডিত অনবরত নস্য নিচ্চেন ও নাসা-নিঃসৃত রঙ্গিণ কফজল জাজিমে পুঁচ্চেন। এদিকে জহুরী জড়ওয়া গহনার পুঁটুলী ও ঢাকাই মহাজন ঢাকাই শাড়ীর গাঁট নিয়ে বসেচে। মুন্সি মোশাই, জামাই ও ভাগনেবাবুরা ফর্দ্দ কচ্চেন, সামনে কতকগুলি প্ৰিতিমে-ফেলা দুর্গাদায়গ্রস্ত ব্রাহ্মণ, বাইয়ের দালাল, যাত্রার অধিকারী ও গাইয়ে ভিক্ষুক ‘যে আজ্ঞা’ ‘ধৰ্ম্ম অবতার’ প্রভৃতি প্রিয় বাক্যের উপহার দিচ্চেন; বাবু মধ্যে মধ্যে কীরেও এক আধটা আগমনী গাইবার ফরমান কচ্চেন।