মহাভারতীয় স্বপ্নপর্ব্ব-কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস Mahabharatiya Swapna Parva-Kashiram Das-1856

বেদে আর অনেক বৈষ্ণব পুরাণেতে। মাদ্য অন্ত মধ্যে হরি সর্ব্বত্র গায়তে॥ বেদে রামায়ণে আর পুরাণ ভারতে। নানা মত শাস্ত্র যত আছয়ে জগতে॥ শাস্ত্র যত বিবরিয়া বুঝিহ উত্তম। আদ্য অন্ত মধ্যে পরে সার হরিনাম॥

Sanat-sujata explained how to avoid death in Mahabharata

सनत-सुजात-Free from all kinds of duality, it is manifest as the universe and all-pervading. Men of learning say that it is without any change, except in the language used to describe it. The Soul is the cause of my birth and procreation. I am the warp and woof of the universe. That upon which I rest is indestructible. Unborn I move, awake day and night. It is I knowing whom one becometh both learned and full of joy. Subtler than the subtle, of excellent eyes capable of looking into both the past and the future, Brahman is awake in every creature.

পাণ্ডবদিগের ঐতিহাসিকতা ইউরোপীয় মত-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-Historicity of Pandavas as per Europeans

ফলে মহাভারতের যে অংশ মৌলিক, তাহার লিখিত বৃত্তান্ত ও পাণ্ডবাদি নায়ক সকল কল্পনাপ্রসূত, এরূপ বিবেচনা করিবার কোন উপযুক্ত কারণ এ পর্যন্ত নির্দিষ্ট হয় নাই। যাহা নির্দিষ্ট হইয়াছে, তাহার সকলই এইরূপ অকিঞ্চিৎকর। সকলগুলির প্রতিবাদ করিবার এ গ্রন্থে স্থান হয় না। মহাভারতের অনেক ভাগ প্রক্ষিপ্ত, ইহা আমি স্বীকার করিয়াছি। কিন্তু পাণ্ডবাদির সকল কথা প্রক্ষিপ্ত নহে।এক্ষণে ইহাও বক্তব্য যে, কেবল পাণিনির নয়, আশ্বলায়ন ও সাংখ্যায়ন গৃহ্যসূত্রেও মহাভারতের প্রসঙ্গ আছে। অতএব মহাভারতের প্রাচীনতা সম্বন্ধে বড় গোলযোগ করার কাহারও অধিকার নাই।

কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ কবে হইয়াছিল-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-Time of the  great war of Mahabharata

ইহা কোন মতেই হইতে পারে না যে, ইহার পূর্বে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ হইয়াছিল। বিষ্ণুপুরাণ হইতে যে খ্রীঃ পূঃ ১৪৩০ পাওয়া গিয়াছে, তাহাই ঠিক বোধ হয়। ভরসা করি, এই সকল প্রমাণের পর আর কেহই বলিবেন না যে, মহাভারতের যুদ্ধ দ্বাপরের শেষে, পাঁচ হাজার বৎসর পূর্বে হইয়াছিল। তাহা যদি হইত, তবে সৌর চৈত্রে উত্তরায়ণ হইত। চান্দ্র মাঘও কখনও সৌর চৈত্রে হইতে পারে না।

মহাভারতের ঐতিহাসিকতা-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় Historicity of Mahabharata

মহাভারতের ঐতিহাসিকতা-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-বলিয়াছি যে, কৃষ্ণচরিত্র যে সকল গ্রন্থে পাওয়া যায়, মহাভারত তাহার মধ্যে সর্বপূর্ববর্তী। কিন্তু মহাভারতের উপর কি নির্ভর করা যায়? মহাভারতের ঐতিহাসিকতা কিছু আছে কি? মহাভারতকে ইতিহাস বলে, কিন্তু ইতিহাস বলিলে কি History ই বুঝাইল? ইতিহাস কাহাকে বলে? এখনকার দিনে শৃগাল কুক্কুরের গল্প লিখিয়াও লোকে তাহাকে “ইতিহাস” নাম দিয়া থাকে।

Farewell speech of Emperor Dhritarastra to the denizens of Kuru

I join my hands before you who are distinguished for loyalty. Here, I bow to you all. Ye sinless one, I, with Gandhari by my side, solicit your pardon now for anything done to you by those sons of mine, of restless understandings, stained by cupidity, and ever acting as their desires prompted.’ Thus addressed by the old monarch, all those citizens and inhabitants of the provinces, filled with tears, said nothing but only looked at one another

The story of birth of Viswamitra

The highly devout Viswamitra, though a Kshatriya, attained to the state of a Brahmana and became the founder of a race of Brahmanas. His sons became high-souled progenitors of many races of Brahmanas who were devoted to austere penances, learned in the Vedas, and founders, of many clans.