Nationalism by Sir Ravindranath Tagore-1918

A nation, in the sense of the political and economic union of a people, is that aspect which a whole population assumes when organized for a mechanical purpose. Society as such has no ulterior purpose. It is an end in itself. It is a spontaneous self-expression of man as a social being. It is a natural regulation of human relationships, so that men can develop ideals of life in co-operation with one another.

Govt of Bengal issued notice to Modern Review for an article written by Tagore, entitled ‘On Russia’-1934

The article was taken from a book called "Letters from Russia," which was published in Bengali by a local Press in 1931. This book attracted little public attention, and consequently no notice was taken of it by Government, but the translation into English of a particular chapter, which was clearly calculated by distortion of the facts to bring the British administration in India into contempt and disrepute

Sir Rabindranath Tagore asked Viceroy to relieve of the knighthood conferred upon him-31/07/1919

whether a letter has been received by the Viceroy from Rabindranath Tagore asking to be relieved of the knighthood conferred upon him; whether any reply was sent to him; whether he has been relieved of his knighthood as requested; and whether the correspondence which passed between R. Tagore and the Viceroy can be published in the Official Report

মহাত্মা গান্ধী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মহাত্মা গান্ধী   ভারতবর্ষের একটি সম্পূর্ণ ভৌগোলিক মূর্তি আছে। এর পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিমপ্রান্ত এবং উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত যে-একটি সম্পূর্ণতা বিদ্যমান, প্রাচীনকালে তার ছবি অন্তরে গ্রহণ করার ইচ্ছে দেশে ছিল, দেখতে পাই। একসময়, দেশের মনে নানা কালে নানা…

ব্রহ্মমন্ত্র – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ওঁ একটি ধ্বনিমাত্র— তাহার কোন বিশেষ নির্দ্দিষ্ট অর্থ নাই। সেই ওঁ শব্দে ব্রহ্মের ধারণাকে কোন অংশেই সীমাবদ্ধ করে না— সাধনা-দ্বারা আমরা ব্রহ্মকে যত দূর জানিয়াছি যেমন করিয়াই পাইয়াছি, এই ওঁ শব্দে তাহা সমস্তই ব্যক্ত করে, এবং ব্যক্ত করিয়াও সেইখানেই রেখা টানিয়া দেয় না। সঙ্গীতের স্বর যেমন গানের কথার মধ্যে একটি অনির্ব্বচনীয়তার সঞ্চার করে তেমনি ওঁ শব্দের পরিপূর্ণ ধ্বনি আমাদের ব্রহ্মধ্যানের মধ্যে একটি অব্যক্ত অনির্ব্বচনীয়তা অবতারণা করিয়া থাকে। বাহ্য প্রতিমাদ্বারা আমাদের মানস ভাবকে খর্ব্ব ও আবদ্ধ করে, কিন্তু এই ওঁ ধ্বনির দ্বারা আমাদের মনের ভাবকে উন্মুক্ত ও পরিব্যাপ্ত করিয়া দেয়।

ধর্মপ্রচার-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Dharma Prachar- Rabindranath Thakur

ধর্মকে যাহারা সম্পূর্ণ উপলব্ধি না করিয়া প্রচার করিতে চেষ্টা করে, তাহারা ক্রমশই ধর্মকে জীবন হইতে দূরে ঠেলিয়া দিতে থাকে। ইহারা ধর্মকে বিশেষ গণ্ডি আঁকিয়া একটা বিশেষ সীমানার মধ্যে বন্ধ করে। ধর্ম বিশেষ দিনের বিশেষ স্থানের বিশেষ প্রণালীর ধর্ম হইয়া উঠে। তাহার কোথাও কিছু ব্যত্যয় হইলেই সম্প্রদায়ের মধ্যে হুলুস্থূল পড়িয়া যায়। বিষয়ী নিজের জমির সীমানা এত সতর্কতার সহিত বাঁচাইতে চেষ্টা করে না, ধর্মব্যবসায়ী যেমন প্রচণ্ড উৎসাহের সহিত ধর্মের স্বরচিত গণ্ডি রক্ষা করিবার জন্য সংগ্রাম করিতে থাকে। এই গণ্ডিরক্ষাকেই তাহারা ধর্মরক্ষা বলিয়া জ্ঞান করে।

মানুষের ধর্ম- Manuser Dharma- Rabindranath Tagore

তার তৃতীয় বাসস্থান আত্মিকলোক। সেটাকে বলা যেতে পারে সর্বমানবচিত্তের মহাদেশ। অন্তরে অন্তরে সকল মানুষের যোগের ক্ষেত্র এই চিত্তলোক। কারো চিত্ত হয়তো বা সংকীর্ণ বেড়া দিয়ে ঘেরা, কারো বা বিকৃতির দ্বারা বিপরীত। কিন্তু, একটি ব্যাপক চিত্ত আছে যা ব্যক্তিগত নয়, বিশ্বগত। সেটির পরিচয় অকস্মাৎ পাই। একদিন আহ্বান আসে। অকস্মাৎ মানুষ সত্যের জন্যে প্রাণ দিতে উৎসুক হয়। সাধারণ লোকের মধ্যেও দেখা যায়, যখন সে স্বার্থ ভোলে, যেখানে সে ভালোবাসে, নিজের ক্ষতি করে ফেলে, তখন বুঝি, মনের মধ্যে একটা দিক আছে যেটা সর্বমানবের চিত্তের দিকে।

দেবতায় মনুষ্যত্ব আরোপ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Devatai Manusatta Arop-Rabindranath

গ্রীসীয়গণ এমন অসভ্য ছিল যে, কুটুম্ব মাংস ভক্ষণ করিত, অথবা কুটুম্ব মাংস ভক্ষণ করা অন্যায় মনে করিত না? রজনী ও প্রভাত সম্বন্ধে এক সমস্যা শুনিয়াছিলাম, যে, জন্মাইয়া মাকে সন্তান খাইয়া ফেলিতেছে। উপরি-উক্ত গ্রীসীয় কাহিনীও কি সেরূপ কোনো একটা রূপকমূলক হইতে পারে না? যদি ইহা সত্য হয় যে, গ্রীসীয়গণ কুটুম্বকে ভক্ষণ করিত না ও কুটুম্ব ভক্ষণ করা পাপ মনে করিত, তবে তাহাদের দেবতাদের কেন কুটুম্ব মাংসে প্রবৃত্তি জন্মিল। যদি বল, অসভ্য অবস্থায় এককালে হয়তো গ্রীসীয়গণ আত্মীয়দিগকে উদরসাৎ করিয়া অধিকতর আত্মীয় করিত, সেই সময়েই উক্ত কাহিনীর আরম্ভ হয়—তবে, যখন সভ্য অবস্থায় গ্রীসীয়দের সে বিষয়ে মত ও আচরণ পরিবর্তিত হইল, তখন তাহাদের বিশ্বাসও পরিবর্তিত হইল না কেন?

ঔপনিষদ ব্রহ্ম – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- Oupanishad Brahma- Rabindranath Thakur

সেই প্রাচীন মহারণ্যবাসী বৃদ্ধ পিপ্পলাদ ঋষি এবং স্ককেশা চ ভারদ্বাজ শৈবশ সত্যকামঃ, সৌৰ্য্যায়নী চ গার্গ্যঃ, কৌশল্যাশ্চাশ্বলায়নো ভার্গবো বৈদভি: কবন্ধী কাত্যায়নস্তে হৈতে ব্ৰহ্মপরা ব্রহ্মনিষ্ঠা: পরং ব্রহ্মান্বেষমাণাঃ– সেই ভরদ্বাজপুত্র মুকেশ, শিবিপুত্র সত্যকাম, সৌৰ্য্যপুত্র গার্গ্য, অশ্বলপুত্র কৌশল্য, ভৃগুপুত্র বৈদভি, কাত্যায়নপুত্র কবন্ধী, সেই ব্ৰহ্মপর ব্রহ্মনিষ্ঠ পরংব্ৰহ্মান্বেষমাণ ঋষিপুত্ৰগণ, যাহারা সমিং হস্তে বনস্পতিচ্ছায়াতলে গুরুসন্মুখে সমাসীন হইয়া ব্রহ্মজিজ্ঞাসা করিতেন র্তাহাদের সহিত আমাদের তুলনা হয় না । ন হইতে পারে, ঋষিদের সহিত আমাদের প্রভেদ থাকিতে পারে, কিন্তু সত্য এক, ধৰ্ম্ম এক, ব্রহ্ম এক ;—যাহাতে ঋষিজীবনের সার্থকতা, আমাদের জীবনের সার্থকতাও তাহাতেই

Sadhana O Samapti – Rabindranath Tagore সাধনা ও সমাপ্তি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

In truth, thou ocean of joy, this shore and the other shore are one and the same in thee. When I call this my own, the other lies estranged; and missing the sense of that completeness which is in me, my heart incessantly cries out for the other. All my this, and that other, are waiting to be completely reconciled in thy love.

Krishnokoli Ami Tarei Boli – কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি

কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ Krishnokoli ami tarei boli kalo tare bale gayer lok Meghla dine dekhechilem mathe kalo meyer kalo harin chokh Ghomta mathai chilo na tar mote mukto bani pither pare lote Kalo? Ta se jatoi kalo hok, dekhechi tar kalo harin chokh