বর্নে গন্ধে ছন্দে গীতিতে – Varne Gandhe Chhande Getite: S.D.Burman

বর্নে গন্ধে ছন্দে গীতিতে
হৃদয়ে দিয়েছো দোলা
রঙেতে রাঙিয়া রাঙাইলে মোরে
একি তব হরি খেলা
তুমি যে ফাগুন
রঙেরও আগুন
তুমি যে রসেরও ধারা
তোমার মাধুরী তোমার মদিরা
করে মোরে দিশাহারা

মুক্তা যেমন শুক্তিরও বুকে তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরাণে প্রেমের বিন্দু তুমি শুধু তুমি ||

প্রেমের অনলে জ্বালি যে প্রদীপ সে দীপেরও শিখা তুমি
জোনাকি পাখায় ঝিকিমিকি নেচে এ রীতি নাচালে তুমি
আপনও হারায়ে উদাসী প্রানের লহগো প্রেমান্জলি
তোমারে রচিয়া ভরেছি আমার বাউল গানের ঝুলি

মুক্তা যেমন শুক্তিরও বুকে তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরাণে প্রেমের বিন্দু তুমি শুধু তুমি||

চমকি দেখিনু আমার প্রেমের জোয়ারও তোমারই মাঝে
হৃদয় দোলায় দোলাও আমারে তোমারও হিয়ারিই মাঝে
তোমারও প্রানের পুলকও প্রবাহ নিশীথে চাহিয়া মাতে
যত মোর নাম গাহ মোর গান আমারই একতারাতে

মুক্তা যেমন শুক্তিরও বুকে তেমনি আমাতে তুমি
আমার পরাণে প্রেমের বিন্দু তুমি শুধু তুমি ||

মনে পড়ে আজ সে কোন জনমে বিদায় সন্ধ্যাবেলা-Mane Pare AAJ: Najrul Islam

মনে পড়ে আজ সে কোন জনমে বিদায় সন্ধ্যাবেলা –
আমি দাঁড়ায়ে রহিনু এপারে তুমি ওপারে ভাসালে ভেলা।।

সেই সে বিদায় ক্ষণে
শপথ করিলে বন্ধু আমার, রাখিবে আমারে মনে,
ফিরিয়া আসিবে খেলিবে আবার সেই পুরাতন খেলা।।

আজো আসিলে না হায়,
মোর অশ্রুর লিপি বনের বিহগী দিকে দিকে লয়ে যায়,
তোমারে খুঁজে না পায়।
মোর গানের পাপিয়া ঝুরে
গহন কাননে তব নাম লয়ে আজো পিয়া পিয়া সুরে;
গান থেমে যায়, হায় ফিরে আসে পাখী বুকে বিঁধে অবহেলা।।

Tum gagan ke chandrma ho [तुम गगन के चंद्रमा हो]

तुम गगन के चंद्रमा हो, मैं धरा की धूल हूँ
तुम प्रणय के देवता हो, मैं समर्पित फूल हूँ
तुम हो पूजा मैं पुजारी, तुम सुधा मैं प्यास हूँ……

तुम महासागर की सीमा, मैं किनारे की लहर
तुम महासंगीत के स्वर, मैं अधूरी साँस पर
तुम हो काया मैं हूँ छाया, तुम क्षमा मैं भूल हूँ……..

तुम उषा की लालिमा हो, भोर का सिंदूर हो
मेरे प्राणों का हो गुँजन, मेरे मन का मयूर हो
तुम हो पूजा मैं पुजारी, तुम सुधा मैं प्यास हूँ…………………….

Tum gagan ke chandrma ho, mai dhara ki dhul hu
mai dhara ki dhul hu
tum parlay ke devta ho
tum parlay ke devta ho, mai samarpit phul hu
tum ho puja mai pujari, tum sudha mai pyaas hu
tum sudha mai pyaas hu

Tum mahasagar ki seema, mai kinare ki lahar
tum mahasangit ke swar, mai adhuri saaj bhar
tum ho kaya mai hu chaya, tum shama mai bhul hu
tum gagan ke chandrma ho, mai dhara ki dhul hu
mai dhara ki dhul hu

Tum usha ki lalima ho, bhor ka sindur ho
mere prano ki ho gunjan, mere man ki mayur ho
tum ho puja mai pujari, tum sudha mai pyas hu
tum gagan ke chandrma ho, mai dhara ki dhul hu
mai dhara ki dhul hu
tum gagan ke chandrma


Writer: Pt Bharat Vyas[1964]

Aruna kanti ke go yogi অরুণকান্তি কে গো যোগী ভিখারী

অরুণকান্তি কে গো যোগী ভিখারী
নীরবে হেসে দাঁড়াইলে এসে
প্রখর তেজ তব নেহারিতে নারি ৷৷

রাস বিলাসিনী আমি আহিরিণী
শ্যামল কিশোর রূপ শুধু চিনি ,
অম্বরে হেরি আজ একি জ্যোতিঃপুঞ্জ
হে গিরিজাপতি ! কোথা গিরিধারী
সম্বর সম্বর মহিমা তব , হে ব্রজেশ ভৈরব , আমি ব্রজবালা ,
হে শিব সুন্দর ,বাঘছাল পরিহর , ধর নটবর-বেশ পর নীপ-মালা ৷৷

নব মেঘ-চন্দনে ঢাকি অঙ্গজ্যোতিঃ
প্রিয় হয়ে দেখা দাও ত্রিভুবন-পতি
পার্ব্বতী নহি আমি শ্রীমতী ,
বিষাণ ফেলিয়া হও বাঁশরী-ধারী ৷৷

Kazi Nazrul Islam


Mahaprabhu

Khelicho e bisso loye nirob sisu anmone [খেলিছ এ বিশ্বলয়ে বিরাট শিশু]

খেলিছ এ বিশ্বলয়ে বিরাট শিশু,
আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা,
নিরজনে প্রভূ, নিরজনে, খেলিছ।।
শূন্য়ে মহা আকাশে,
তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে,
ভাঙ্গিছ গড়িছ নীতি ক্ষণে ক্ষণে,
নিরজনে প্রভূ, নিরজনে, খেলিছ।।
তারকা রবি-শশী, খেলনা তব,
হে উদাসী,
পড়িয়া আছে রাঙা পায়ের কাছে,
রাশি রাশি,
নিত্য় তুমি হে উদার,
সুখে দুখে অবিকার,
হাসিছ খেলিছ তুমি আপন সনে,
নিরজনে প্রভূ, নিরজনে, খেলিছ।।


NAZRUL

Shokhi se hari kemon bol[সখী সে হরি কেমন বল]

সখী সে হরি কেমন বল
নাম শুনে যার এত প্রেম জাগে
চোখে আনে এত জল।।
সে কি আসে এই পৃথিবীতে
গাহি রাধা নাম বাঁশুরীতে
যার অনুরাগে বিরহ যমুনা হয়ে ওঠে চঞ্চল।।
তারে কি নামে ডাকিলে আসে
কোন রূপ ও গুন পাইলে সে
রাধাসম ভালবাসে।
সখী শুনেছি সে নাকি কালো
জ্বালে কেমনে সে এত এল
মায়া ভুলিতে মায়াবী সে নাকি
করে গো মায়ার ছল।।


নজরুল

He Govinda akho charane[হে গোবিন্দ রাখ চরণে]

হে গোবিন্দ রাখ চরণে।
মোরা তব চরণে শরণাগত আশ্রয় দাও আশ্রিত জনে হে॥
গঙ্গা ঝরে যে শ্রীচরণ বেয়ে
কেন দুখ পাই সে চরণ চেয়ে
এ ত্রিতাপ জ্বালা হর হে শ্রীহরি, চাহ করুণা সিক্ত নয়নে॥
হরি ভিক্ষা চাহিলে মানুষ নাহি ফিরায়
তোমারি দুয়ারে হাত পাতিল যে, ফিরাবে কি তুমি তায়।
হরি সব তরী ডুবে যায়
তোমার চরণ তরী ত’ ডোবে না হায়,
তব চরণ ধরিয়া ডুবে মরি যদি রবে কলঙ্ক নিখিল ভুবনে॥


নজরুল

Ami Ek Jajabor

আমি এক যাযাবর
আমি এক যাযাবর

পৃথিবী আমাকে আপন করেছে
ভুলেছি নিজের ঘর
আমি এক যাযাবর
আমি এক যাযাবর

আমি গঙ্গার থেকে মিসিসিপি হয়ে
ভলগার রূপ দেখেছি
অটোয়ার থেকে অস্ট্রিয়া হয়ে
প্যা রিসের ধূলো মেখেছি
আমি ইলোরার থেকে রং নিয়ে দূরে
শিকাগো শহরে দিয়েছি
গালিবের শের তাশখন্দের
মিনারে বসে শুনেছি
মার্ক টোয়েনের সমাধিতে বসে
গোর্কির কথা বলেছি
বারে বারে আমি পথের টানেই
পথকে করেছি ঘর
তাই আমি যাযাবর

তাই আমি যাযাবর

বহু যাযাবর লক্ষ্যবিহীন
আমার রয়েছে পণ
রঙের খনি যেখানে দেখেছি
রাঙিয়ে নিয়েছি মন
আমি দেখেছি অনেক গগনচুম্বী
অট্টালিকার সারি
তার ছায়াতেই দেখেছি অনেক
গৃহহীন নরনারী

আমি দেখেছি অনেক গোলাপ-বকুল
ফুটে আছে থরে থরে
আবার দেখেছি না ফোটা ফুলের কলিরা
ঝরে গেছে অনাদরে—
প্রেমহীন ভালোবাসা বেসে বেসে
ভেঙ্গেছি সুখের ঘর
পথের মানুষ আপন হয়েছে
আপন হয়েছে পর
তাই আমি যাযাবর

আমি এক যাযাবর….

                              ……….. ভূপেন হাজারিকা

Jagajjalapalam Kachad Kanda Malam- Ode to Lord Vishnu

जगज्जालपालं चलत्कण्ठमालं

शरच्चन्द्रभालं महादैत्यकालं

नभोनीलकायं दुरावारमायं

सुपद्मासहायम् भजेऽहं भजेऽहं ||

सदाम्भोधिवासं गलत्पुष्पहासं

जगत्सन्निवासं शतादित्यभासं

गदाचक्रशस्त्रं लसत्पीतवस्त्रं

हसच्चारुवक्त्रं भजेऽहं भजेऽहं ||

रमाकण्ठहारं श्रुतिव्रातसारं

जलान्तर्विहारं धराभारहारं

चिदानन्दरूपं मनोज्ञस्वरूपं

ध्रुतानेकरूपं भजेऽहं भजेऽहं ||

जराजन्महीनं परानन्दपीनं

समाधानलीनं सदैवानवीनं

जगज्जन्महेतुं सुरानीककेतुं

त्रिलोकैकसेतुं भजेऽहं भजेऽहं ||

कृताम्नायगानं खगाधीशयानं

विमुक्तेर्निदानं हरारातिमानं

स्वभक्तानुकूलं जगद्व्रुक्षमूलं

निरस्तार्तशूलं भजेऽहं भजेऽहं ||

समस्तामरेशं द्विरेफाभकेशं

जगद्विम्बलेशं ह्रुदाकाशदेशं

सदा दिव्यदेहं विमुक्ताखिलेहं

सुवैकुण्ठगेहं भजेऽहं भजेऽहं ||

सुरालिबलिष्ठं त्रिलोकीवरिष्ठं

गुरूणां गरिष्ठं स्वरूपैकनिष्ठं

सदा युद्धधीरं महावीरवीरं

महाम्भोधितीरं भजेऽहं भजेऽहं ||

रमावामभागं तलानग्रनागं

कृताधीनयागं गतारागरागं

मुनीन्द्रैः सुगीतं सुरैः संपरीतं

गुणौधैरतीतं भजेऽहं भजेऽहं ||

Prem Ekbari Esechhilo Neerabe

প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে
আমারই এ দুয়ার প্রান্তে

সে তো হায় মৃদু পায়
এসেছিল পারি নি তো জানতে।।
সে যে এসেছিল বাতাস তো বলে নি
হায় সেই রাতে দীপ মোর জ্বলে নি।
তারে সে আধারে চিনিতে যে পারি নি
আমি পারি নি ফিরায়ে তারে আনতে।।

                 প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে

যে আলো হয়ে এসেছিল কাছে মোর
তারে আজ আলেয়া যে মনে হয়
এ আধারে একাকী এ মন আজ
আধারেরই সাথে শুধু কথা কয় –
আজ কাছে তারে এত আমি ডাকি গো
সে যে মরিচিকা হয়ে দেয় ফাকি গো।
ভাগ্যে যে আছে লেখা হায়রে
তারে চিরদিনই হবে জানি মানতে।।

             প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে


শিল্পীঃ লতা মঙ্গেশকর
কথাঃ গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
সুরঃ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়